ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬,   আষাঢ় ৯ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ১৫:৩৩, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
আপডেট: ১৫:৩৬, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মাদক ব্যাবসায়ী কামরুল কারাগারে

 তাহিরপুর

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক চোরাচালানী ও বিদেশি মদের ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল আটকের পর আদালতের মাধ্যমে করাগারে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে থানা পুলিশ তাকে সোপর্দ করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে প্রেরণনের আদেশ প্রদান করেন।

 তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান সীমান্তের ওই শীর্ষ মাদক চোরাচালনীকে জেলা করাগারে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, উপজেলার ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প বাজার থেকে শনিবার তাকে থানা পুলিশ আটক করে। সে উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী লাকমা নতুনপাড়ার দুলু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সীমান্তের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক চোরাচালানী, বিদেশি মদের ডিলার ও মাদক মামলার পলাতক আসামী কামরুলকে আটক করেন। সে এক সময় সীমান্তের কয়লা ও পাথর চোরাচালানে জড়িত থাকলেও বর্তমানে বেকার কামরুলের গত ৪ থেকে ৫ বছর দৃশ্যমান কোন আয়ের উৎস না থাকলেও লাকমা সীমান্ত এলাকার সামছু, আব্দুর নুর, আব্দুর নুরের স্ত্রী, আক্কাছ, আশিকনুর, বালিয়াঘাটার সুরুজ,বজলু,দুধের আউটার বড় আঙ্গুরী,কাউকান্দির ফয়েজ ওরফে ফজুর মাধ্যমে ভারতীয় মদ.গাঁজা ইয়াবার চালান ওপার থেকে নিয়ে এসে বিভিন্ন এলাকায় গোপনে সাব এজেন্ট নিয়োগ দিয়ে মাদকের রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল।

পুলিশ আরো জানায়, বজলু, আক্কাছ, আশিকনুর, বড় আঙ্গুরী, ফজু সহ মাদক সরবরাহে থাকা অধিকাংশ সাব এজেন্টদের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা বিচারধীন রয়েছে। রবিবার রাতে সীমান্তের একাধিক লোকজন জানান, কামরুল কারাগারে যাওয়ায় সীমান্তের নিরীহ লোকজনের মধ্যে বেশ কিছুটা স্বস্থি যুব সমাজের অভিভাবক মহলে সীমান্ত লাগোয়া নিজস্ব বাড়ি ও প্রভাবশালী দাঙ্গাবাজ পরিবারের ছেলে হিসাবে কামরুল তার মাদক ব্যবসার প্রসার ঘটনাতে গিয়ে গত দু’বছরের অধিক সময় ধরে টাঙ্গুয়ার হাওর, ট্যাকেরঘাটে আসা বেশ কিছু পর্যটকবাহী নৌকার মালিক, মাঝি সুকানীদের সাথে আতাত করে পর্যটকদের নিকট বিদেশি মদ , গাঁজা ও ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিলো।

রাজন চন্দ্র/আরডি/ইএন

Green Tea
সর্বশেষ