ঢাকা, রোববার   ২০ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৬ ১৪২৮

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৮, ১০ জুন ২০২১
আপডেট: ১৪:৫৩, ১০ জুন ২০২১

বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আর নেই

পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আর নেই। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার নিজের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা গেছে, অনেকদিন ধরেই কিডনির অসুখে ভুগছিলেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। এর পাশাপাশি ছিল বার্ধক্যজনিত সমস্যা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার আরও এক দফায় ডায়ালাইসিস হওয়ার কথা ছিল বুদ্ধদেবের। কিন্তু তার স্ত্রী সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন যে তিনি সাড়া দিচ্ছেন না। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

১৯৪৪ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার আনাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বুদ্ধদেব। তার বাবা রেলে চাকরি করতেন। ১২ বছরে হাওড়ার স্কুলজীবন শুরু করেন। তারপর অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে বুদ্ধদেবের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল। তবে উৎসাহ ছিল ফিল্ম সংক্রান্ত পড়াশোনাতেও। ১৯৬৮ সালে তথ্যচিত্র তৈরি করে পরিচালনায় হাতেখড়ি হয়েছিল তার।

১৯৭৮-এ প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি ‘দূরত্ব’ পরিচালনা করে জাতীয় পুরস্কারের শিরোপা পেয়েছিলেন তিনি। এরপর নিম অন্নপূর্ণা, গৃহযুদ্ধ, বাঘ বাহাদুর, তাহাদের কথা, চরাচর, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান-সহ একের পর এক উল্লেখযোগ্য ছবি।

বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত ‘তাহাদের কথা’, ‘উত্তরা’ ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন।

বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্র জগতে।

পরিচালক গৌতম ঘোষ বলেন, “বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল। ভাবতে পারছি না। ওর আর আমার একসঙ্গে শুরু। আমাকে জোর করে অভিনয় করিয়েছিল। অনেক স্মৃতি ওর সঙ্গে। সবটাই সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে। ওর আত্মার শান্তি কামনা করি।”

পরিচালক অনীক দত্ত বলেন, “শেষ কথা হয়েছিল আমার শেষ ছবির সময়। দেখা হয়েছিল বহুদিন আগে। শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। উনিই একজন যিনি ‘আশ্চর্য প্রদীপ’ দেখে বলেছিলেন, আগের ছবির থেকে এটা ভালো হয়েছে। কলেজজীবনে যাদের কাজ আমাকে অনুপ্রাণিত করত, তাদের মধ্যে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত অন্যতম। অত্যন্ত বড় মাপের মানুষ।”

সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেন তরুণ মজুমদার বলেন, “খুবই বড় ক্ষতি। আমি হতবাক।”

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়