ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জানুয়ারি ২০২২,   মাঘ ৭ ১৪২৮

তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:২৯, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১
আপডেট: ২৩:৪৭, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ফেসবুক থেকে টাকা আয় কিভাবে করবেন?

আপনি কি জানেন ফেসবুক থেকে টাকা আয় সম্ভব। ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন মানুষ আজকাল খুঁজে পাওয়া কঠিন। সকলেই ব্যবহার করছি আমরা এ সোশ্যাল মিডিয়াটি। শুধু ব্যবহারই নয়, দিনের অনেকটা সময় আমরা দিয়ে দিচ্ছি ফেসবুককে। তবে এতে যে আমাদের কোনও লাভ হচ্ছে তা না, শুধু সময়ই নষ্ট হচ্ছে। এবার ভাবুন, ফেসবুক ব্যবহার করার জন্য যদি টাকা পেতেন, ব্যাপারটি কেমন হতো?

অবাক হচ্ছেন? বিষয়টি মোটেও এমন না। ফেসবুক থেকে টাকা আয় সম্ভব। আর সেটিই বিস্তারিত দেওয়া হলো আইনিউজে। 

ফেসবুক পেজ থেকে আয়

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এখন ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আপনি চাইলে এখন আপনার ফেসবুক পেজ থেকে আয় করতে পারবেন। আপনি এটার মাধ্যমে ফেসবুক থেকে লংটাইম আর্ন করতে পারবেন। আপনাকে এর জন্য প্রথমে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হবে।

আপনি এবার সেই পেজে কনটেন্ট ভিডিও ইমেজ যেকোন বিষয়ের উপর রেগুলার পোস্ট করে যেতে হবে। আপনি এবার আপনার করা পোস্ট গুলো আপনার বন্ধু-বান্ধব, আপনার পরিবারের লোক আত্মীয়স্বজন সবার কাছে শেয়ার করতে থাকুন। আস্তে আস্তে যখন আপনার পেজের লাইক এবং ফলোয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে তখন আপনি আপনার পেজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে পারবেন। 

[এখন আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং জিনিসটা কি? এ বিষয়ে তো কোনও ধারণা নেই। আচ্ছা ঠিক আছে আপনার জন্যেই দেওয়া হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর হালকা একটু ধারণা। তবে আপনি যদি মনে করেন- 'আরেহ না এই বিষয়ে আমি সব জানি' তাহলে নিচের পয়েন্টটি ইগনোর করে এরপর থেকে পড়তে পারেন।]

  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল অন্যের পণ্য আপনি প্রচার করবেন এবং আপনার প্রচারে যদি কোন পণ্য বিক্রয় হয় তবে তার একটি অংশ আপনি পাবেন। মজার ব্যাপার হল এই কাজটি আপনি খুব সহজে একটি ফেসবুক পেজ বা গ্রুপের মাধ্যমে করতে পারবেন। অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি বলতে এখন শুধুমাত্র ডিজিটাল প্রোডাক্টকে না বুঝিয়ে সব ধরনের প্রোডাক্টকে বুঝায়। আপনি নিশ্চয় দেখে থাকেন যে, Amazon, eBay, Daraz, BD Shop এর মত আরো বিভিন্ন ধরনের অনলাইন মার্কেট থেকে মানুষ এখনো নিয়মিত প্রোডাক্ট কিনে থাকে। আপনি চাইলে এ ধরনের মার্কেটপ্লেসগুলোতে একটি একাউন্ট খুলে খুব সহজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য প্রথমে আপনি Amazon, eBay, Daraz, BD Shop সহ অন্যান্য ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস গুলোতে একাউন্ট খুলে নিবেন। তারপর ঐ ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস গুলোর প্রোডাক্ট হতে আপনার পছন্দমত বিভিন্ন পন্যের রেফারাল লিংক তৈরি করে সেটি ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করবেন। আপনার রেফাল লিংকে ক্লিক করে যখন কেউ সেই পণ্য কিনবেন তখন পণ্যটির দাম হতে শতকরা হিসেবে আপনাকে কিছু টাকা দেওয়া হবে। এভাবে আপনি যত বেশি প্রোডাক্ট সেল করে দিতে পারবেন আপনি তত বেশি টাকা আয় করতে পারবেন। সাধারণত ফেসবুকে যাদের প্রচুর পরিমাণে ফলোয়ার আছে তারা এই কাজটি খুব সহজে করতে পারে। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়েবসাইট হল অ্যামাজন।

তাছাড়া আপনি আপনার ফেসবুক পেজে যে কনটেন্ট আপনি নিয়মিত ডেলিভারি করছেন সেই কনটেন্ট রিলেটেড অনেক কোম্পানি থাকবে আপনি সেখান থেকে চাইলে স্পনসরর্শিপ নিয়ে তাদের প্রোডাক্ট কে প্রমোট করতে পারেন। তাই আপনার পেজে কন্টেন্ট দেয়ার আগেই একটি পরিপূর্ণ প্ল্যান করে নিবেন যেন, আপনি সবসময় একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত কন্টেন্ট দিতে পারেন।

একটি ফেসবুকের পেজ মূল অংশ হলো কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু। ফেসবুক ইউজারদের এই বিশাল সংখ্যার কাছে আপনার পেজের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে কন্টেন্টের উপর। মানসম্মত ও সুন্দরভাবে বর্ণিত যেকোনো কন্টেন্ট ভালো ইউজারদের মাঝে সাড়া জাগাতে অনেকটাই সহায়ক। কন্টেন্ট তৈরি থেকে শুরু করে পরবর্তীতে বেশ কিছু পদক্ষেপ অবলম্বন করতে হবে ।

ফেসবুক ভিডিও থেকে আয়

ফেসবুকে ভিডিও এবং লাইভ করে টাকা আয় করা যায়। ফেসবুকে টাকা আয় করার এই সুবিধাকে বলা হয় Facebook Ads Break. অর্থাৎ আপনার ভিডিওতে ফেসবুক অ্যাড দেখাবে, সেই অ্যাড থেকে আয়ের কিছু অংশ আপনাকে দিবে। এই সুবিধাটি পেতে হলে বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। প্রথমত আপনার পেজটি তাদের কাছে মনোনীত হতে হবে। 

তবে একটা ভিডিও আপলোড করলেন আর তা থেকেই যে টাকা পাওয়া শুরু হয়ে যাবে এমন কিন্তু না, সেজন্যে ফেসবুকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মও রয়েছে। যদিও মাঝেমাঝে সেসব নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তবে সর্বশেষ আপডেটটি দেওয়া হলো-

  • আপনার ফেসবুক পেজে ১০,০০০ ফলোয়ার থাকতে হবে।
  • শেষ ৬০ দিনে ১৫,০০০ হাজার মানুষের নিকট আপনার পোস্ট/ভিডিও পৌছাতে হবে।
  • শেষ ৬০ দিনে আপনার ফেসবুক পেজের ভিডিওতে কমপক্ষে ৩০,০০০ ভিউস থাকতে হবে এবং প্রত্যেকটি ভিউ কমপক্ষে ১ মিনিটের হতে হবে। তাছাড়া আপনার প্রত্যেকটি ভিডিও কমপক্ষে ৩ মিনিট লম্বা হতে হবে। কারণ ৩ মিনিটের ছোট ভিডিওতে ফেসবুক বিজ্ঞাপন দেখায় না।
  • আপনার বয়স অবশ্যই কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।
  • ফেসবুক এর Partner Monetization Policies মেনে ভিডিও তৈরি করতে হবে।

এছাড়াও ফেসবুকের ভিডিওতে আয়ের আরেকটি উৎস হলো ফেসবুক In-Stream Ads। এটি হলো এমন একটি সার্ভিস যেটি দিয়ে ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওতে বিজ্ঞাপন বা ads শো করানো যায়। এই বিজ্ঞাপন গুলো যখন লোকজন দেখবে বা ক্লিক করবে তখন আপনি ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। তবে ফেসুবক In-Stream Ads এর বিজ্ঞাপন ফেসবুক পেজ ব্যতীত অন্য কোথাও ব্যবহার করা যায় না।

  • চুরিবিদ্যা কাজে আসবে না

তবে ভিডিও কনটেন্টের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে কপিরাইটের বিষয়ে। অনেকেই ভাবেন, 'ইউটিউবের ভিডিও ফেসবুকে দিয়ে দিলাম- ব্যাস। হয়ে যাবো বড়লোক।' ব্যাপারটি মোটেও তা না। ফেসবুকের ভিডিও ফেসবুকের, ইউটিউবের ভিডিও ইউটিউবের। তবে ইউটিউবের কোনও ভিডিওর মালিক যদি আপনি হয়ে থাকেন তাহলে সেটি আপনি অবশ্যই আপলোড করতে পারেন ফেসবুকে, এতে মনিটাইজেশনের কোনও সমস্যা হবে না। 

হয়তো ভাবছেন আমি অন্যের ভিডিও ইউটিউব থেকে ডাউনলোড করে ফেসবুকে আপলোড করেছি কি না, সেটা কি আর ফেসবুক বুঝতে পারবে? হ্যাঁ, ফেসবুক সেটা বুঝতে পারবে না। তবে কেউ যদি সেই ভিডিও ইতোপূর্বে ফেসবুকে আপলোড করে থাকে, তাহলে সেটি ফেসবুক বুঝতে পারবে।

এ ক্ষেত্রে আপনি অটোমেটিক কপিরাইটের দায়ে ফেসবুকের কাছে ফেসে যাবেন। তবে সেই ভিডিওটি এখনো পর্যন্ত ফেসবুকে আপলোড না হলে ফেসবুক সেটি বুঝতে পারবে না। তবে ভিডিও এর প্রকৃত মালিক ভিডিওটি দেখতে পেলে আপনার ভিডিও এর বিরুদ্ধে ফেসবুকের কাছে রিপোর্ট করলে আপনি ধরা খেয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে আপনার ফেসবুক এর ভিডিও মনিটাইজেশন অটোমেটি বন্ধ হয়ে যাবে অর্থাৎ কপিরাইটের কারনে ভিডিও আপলোড করে ফেসবুক থেকে আপনি আর কখনো আয় করতে পারবেন না।

ফেসবুক মার্কেটপ্লেস থেকে আয়

অনলাইন মার্কেটিং এর কাজটি ফেসবুক অনেকাংশে সহজ করে দিয়েছে। আপনার যেকোন ধরনের ছোট-খাটো ব্যবসা থাকলে খুব সহজে সেই পণ্যগুলোর ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে আপনার পন্য ক্রেতাদের হাতে পৌছে দিতে পারেন।

আপনার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে লাইক বেশি থাকলে লোকজন আপনার প্রোডাক্টগুলো দেখতে পাবে এবং কেউ কেউ সেটি কিনতে অবশ্যই আগ্রহ দেখাবে। আপনি যদি সততার সাথে পণ্য ডেলিভারি দেন, তাহলে প্রশংসা শুনে আরো হাজারো লোক দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আপনার প্রোডাক্ট কিনার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আর এভাবে আপনি খুবই সহজে এমনকি ঘরে বসে ফেইসবুক থেকে আয় করতে পারবেন।

এছাড়া আরও একটি মজার কাজের উদাহরণ দেই, যেটা আমি নিজেও করেছি। আপনি প্লে স্টোর (Google Play Store) কিংবা অ্যাপলের অ্যাপস্টোর (appstore) এর মাধ্যমে অনেকগুলো রিসেলিং অ্যাপস পেয়ে যাবেন। যেমন-Glowroad, Shop101, Messho (উদাহরণ হিসেবে ৩ টার নাম দেওয়া হলো, বাস্তবে ঘাটাঘাটি করলে আপনি আরও অনেক বেশি পেতে পারেন) আপনি এই সমস্ত অ্যাপ গুলো আগে ইন্সটল করে নিন। তারপর এখানে রেজিস্ট্রেশন করার পর ব্যাংক ডিটেইলস সহ সবকিছু দিয়ে সাবমিট করে নিন। 

আপনি এই অ্যাপ গুলোতে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্ট পেয়ে যাবেন। আপনি সেই প্রোডাক্ট এর ছবি গুলো ডাউনলোড করে নিয়ে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে সেই ছবিগুলোকে লিস্ট করে দিন এবং সেখানে নিজের প্রাইস বেঁধে দিন। ধরুন আপনি ওই অ্যাপ থেকে একটি টি-শার্ট কিনলেন ১৫০ টাকা দিয়ে আপনি এবার আপনার প্রাইস করলেন ২৫০ টাকা। এই প্রোডাক্টটি বিক্রি করতে  পারলে আপনার কিন্তু ঠিকই ১০০ টাকা লাভ হয়ে যাবে।

এভাবে আপনি অনেকগুলো ফটো আপনার ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে লিস্ট করে রাখতে পারেন। এবার যখন কোন ব্যক্তি আপনাকে ওই প্রোডাক্ট কেনার জন্য মেসেজ করবে তখন আপনি তার এড্রেস টা সেই অ্যাপসে আর সেখানে আপনার প্রাইস সেট করে দিন।

তারপর আপনি যে এড্রেসটি দিয়েছেন কোম্পানি সেই  অ্যাড্রেসে প্রোডাক্ট ডেলিভারি করে দিবে আপনার নামে। আর প্রডাক্টিভ বিক্রি হওয়ার পর কিছু কমিশন চলে যাবে আপনার ব্যাংক একাউন্টে। তো এভাবে আপনি  ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।

ফেসবুক গ্রুপ থেকেও আয় সম্ভব

মনে করেন আপনি একটি কোম্পানি তৈরি করলেন, যেটি খুব ভালো পণ্য উৎপাদন করে। কিন্তু ঘটনা হলো- সেই কোম্পানির কথা কেউ জানেই না, তাহলে লাভ হবে? না, হবে না। এজন্যই বড় কোম্পানিগুলো তৈরি করে বিজ্ঞাপন। যেগুলো সাধারণত আমরা সর্বক্ষণই টিভি, ইন্টারনেট, রাস্তার দেয়াল, নায়ক নায়িকার পোশাকে, ক্যালেন্ডারে, পণ্যে, শপিং ব্যাগে, রাস্তার দেওয়ালে এমনকি ট্রাকের-সিএনজির পিছনেও দেখতে পাই।

তবে জানেন কোথায় সবথেকে সহজে বিজ্ঞাপন পৌঁছে দেওয়া যায় মানুষের কাছে? ফেসবুকের মাধ্যমে। আর তাই যারা পণ্য বিক্রি করে তাদের প্রচার করতে হয়। এবার নিশ্চয়ই বিষয়টা বুঝতে পারছেন? আরও খুলে বলি তাহলে।

পণ্যের প্রচারের জন্য আপনি মাইক হাতে নিয়ে কোথায় যাবেন? যেখানে ২-৩ জন মানুষ নাকি যেখানে ২-৩ লাখ মানুষ? হ্যাঁ, এজন্যই কাজে লাগে ফেসবুক গ্রুপ। আপনি আপনার গ্রুপের মাধ্যমে করতে পারেন আপনার পণ্যের প্রচার। পাশাপাশি সে সুযোগ দিতে পারেন অন্য কোনও ব্যবসায়ীকেও, তবে সেক্ষেত্রে তার কাছ থেকে নিয়ে নিন কিছু টাকা।

এছাড়াও বড় গ্রুপ আছে আপনার? চালিয়ে যেতে পারছেন না? বিক্রি করে দিন। খোঁজ নিয়ে দেখুন বেশি মেম্বার আছে এমন গ্রুপ কিনতে আগ্রহী মানুষের অভাব নেই বাংলাদেশে। 

আপনার কোন ব্লগ থাকলে ব্লগের পোস্ট বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করে আপনার ব্লগের আয় সহজে বাড়িয়ে নিতে পারবেন। তাছাড়া ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের কেনাকাটার গ্রুপ রয়েছে। আপনি সেই গ্রুপগুলোতে জয়েন করে আপনার প্রেডাক্ট বিক্রি করে ফেসবুক থেকে আয় করে নিতে পারেন।

লাইক বিক্রিও করা যায়

আপনার কাছে যখন প্রচুর জনপ্রিয় একটি ফেসবুক পেজ থাকবে এবং আপনার পেজে প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার থাকবে, তখন বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটার আপনাকে তাদের পেজে লাইক বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের পোস্ট শেয়ার করে সেটা মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য অফার করবে। তখন আপনি তাদের নিকট হতে বিভিন্ন অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের ফেসবুক পেজ কিংবা ওয়েবসাইটের পোস্ট আপনার ফেসবুক পেজে শেয়ার করার মাধ্যমে ক্লায়ান্টের নিকট থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। সাধারণত বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটারগণ ১০০০ লাইকের বিনিময়ে ৫০০-৭০০ টাকা নিয়ে থাকেন।

যাদের ফেসবুক পেজে প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার আছে, তাদের ক্ষেত্রে ১০০০ লাইক পাইয়ে দেওয়া মাত্র ৫ মিনিটের কাজ।

শুধু এগুলোই নয়, মাথা খাটাতে পারলে আপনি উঠতে বসতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে ফেসবুকে জনপ্রিয় আয়ের উৎসগুলো সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হলো, আপনি এগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যান- পরে আপনিই খুঁজে পাবেন আরও অনেক সহজ আয়ের আইডিয়া।

আইনিউজ/এসডি

ছেলের খোঁজে পায়ে হেঁটে নেপালে যান মা, ফিরেন ২৩ বছর পর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫

কেন খেলা শুরুর ৭ মিনিটের মাথাতেই আর্জেন্টিনার সাথে ম্যাচ বন্ধ করে দিলো ব্রাজিল?

কুলাউড়ায় মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়