Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, শনিবার   ০৪ এপ্রিল ২০২৬,   চৈত্র ২১ ১৪৩২

আইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৩৯, ১৯ মে ২০২২
আপডেট: ১৯:৫২, ১৯ মে ২০২২

ডলার সংকটে জ্বালানি তেল আমদানি ব্যাহত

ডলার সংকটে পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিপিসির জন্য জ্বালানি তেল আমদানির ঋণপত্র খুলতে রাজি হচ্ছে না সরকারি -বেসরকারি ব্যাংকগুলো। আর এলসি খুললেও সময়মতো ডলারে দাম পরিশোধে দেরি হচ্ছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে সামগ্রিক আমদানি প্রক্রিয়া।

খোদ বিপিসি চেয়ারম্যানও স্বীকার করলেন, অবস্থা এমন থাকলে জ্বালানি তেল আমদানিতে সংকট দেখা দিতে পারে।



জ্বালানি তেল আমদানির জন্য মাসে গড়ে ১৬ থেকে ১৮টি করে ঋণপত্র খোলে বিপিসি। যার বেশিরভাগই হয় রাষ্ট্রয়ত্ত্ব তিন সরকারি ব্যাংক সোনালি, জনতা, অগ্রণীর মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলার দাম আর জাহাজভাড়া বাড়ায় প্রতিটি এলসির হচ্ছে প্রায় চার কোটি ডলারে, যা আগে ছিল দুই কোটির মতো।

বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত একটিও এলসি করেনি সোনালী ব্যাংক। গত বুধবার একটি মাত্র এলসি খুলেছে। ডলার সংকটের কারণ দেখিয়ে অন্য সরকারি ব্যাংকগুলোও ঋণপত্র খোলা কমিয়ে দেয়।

বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় জ্বালানি মন্ত্রণালয়, অর্থমন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয় বিপিসি। এরপর অগ্রণী ব্যাংক মাসে দুটি করে ও জনতা ব্যাংক মাসে ৪টি করে এলসি খুলতে রাজি হয়।

বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, অনুরোধের প্রেক্ষিতে এলসি খুললেও অর্থ পরিশোধে দুই তিন দিন দেরি করছে ব্যাংকগুলো। এতে সরবরাহকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতিপূরণসহ নানা রকম শর্ত দিচ্ছেন তারা।

এদিকে বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংকট নিরসনে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে হবে। এজন্য টাকার অবমূল্যায়ন ও বাজারে ডলার সরবরাহের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, এতোদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ডলারের দামে এলসি খুলত ব্যাংকগুলো। এখন এলসি হচ্ছে ডলারের বাজার দরে। ফলে তেলের আমদানি ব্যয় গেছে বেড়ে।

এ পরিস্থিতিতে এলসি'র টাকার ব্যবস্থা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ চেয়ে মঙ্গললবার চিঠি দিয়েছে বিপিসি।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়