আইনিউজ ডেস্ক
সীতাকুণ্ড অগ্নিকাণ্ডের রাসায়নিক দেশে বৈধভাবে আসেনি: পরিবেশমন্ত্রী
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডের সময় একের পর এক বিস্ফোরণ হয়েছে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের ড্রাম।
সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোয় হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশি সময় লেগেছে এবং তাতে হতাহতের সংখ্যাও বেড়েছে। বিএম ডিপোর এই হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড বৈধ পথে আনা হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।
শুক্রবার (১০ জুন) জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।
তিনি বলেন, “দেশে কেমিক্যাল আমদানি করতে হলে আমাদের (পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের) অনুমোদন নিতে হয়। না নিয়ে যদি কেউ আমদানি করেন, সেটা অবৈধ হবে। ডিপোটি কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিলেও সাধারণ পণ্যের কন্টেইনার ছাড়াও কেমিক্যাল বা সমজাতীয় বস্তু বা পদার্থ তারা মজুদ করতো।”
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। ফাইল ছবি
মো. শাহাব উদ্দিন জানান, এজন্য বৃহস্পতিবার তাদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এটা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন।
পরিবেশ আইনে কি খোলা জায়গায় কেমিক্যাল রাখার সুযোগ আছে কি-না জানিতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “এখানে যে কেমিক্যাল রাখা হয়েছিল, সেটার জন্য তো তারা কোনো অনুমতি নেয়নি। বৈধ পথে আনলে তো আমাদের কাছে হিসাব থাকে। আর যে অবৈধ পথে আনে, সে তো অবৈধ। তাদের বিরুদ্ধে তো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
অগ্নিকাণ্ডের পর চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দ্রুত নিলাম করা হয়, এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের জানা ছিল না হয়তো। ওই ডিপোতে তারা আমাদের কাছ থেকে যে ছাড়পত্র নিয়েছিল, সেখানে তো কেমিক্যালের ছাড়পত্র নেয়নি। আমাদের কাছ থেকে তো ছাড়পত্র নিতে হয়। এই ছাড়পত্র আমাদের পরিবেশ অধিদপ্তর দিয়ে থাকে। যারা ছাড়পত্র নেন তারা তো বৈধভাবেই আমদানি করেন। আর যিনি ছাড়পত্র নেন না তিনি তো অবৈধ। যেখান থেকে তিনি আনুক না কেন সেটা অবৈধ।”
জ্বালানি তেলের কন্টেইনার বা গাড়ির গায়ে লেখা থাকে বা আলাদা রঙ থাকে কিন্তু কেমিক্যালের কন্টেইনারে বা গাড়িতে কিছুই লেখা থাকে না। লেখা থাকলে তো মানুষ এসব কন্টেইনার দেখে সতর্ক হতে পারেন। লেখা থাকলে হয়ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও সতর্ক হতেন, এত হতাহত হতো না। এমন কোনো সুপারিশ কি কখনো করা হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “শুধু তো আমরা না, আরও অনেক জায়গা থেকে তাদের অনুমতি নিতে হয়। আমরাও মনে করি, এটা লেখা থাকা উচিৎ।”
কেমিক্যাল আমদানি বা রাখা নিয়ে সবসময়ই এক ধরনের লুকোচুরি হয়, অনেক সময় তথ্য গোপন করা হয়, এ বিষয়ের তিনি বলেন, “যারা অবৈধভাবে আমদানি করে, তারাই বলতে পারবে তারা কেন এটা করে। তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে পারলে এই প্রবণতা কমে যাবে।”
সূত্রঃ ডয়চে ভেলে, ঢাকা ট্রিবিউন
আইনিউজ/এসডি
আইনিউজ ভিডিও
বৃদ্ধ বয়সে নামাজ পড়তাম, ঘরে বসে খাইতাম, কে খাওয়াবে!
আলী আমজাদে রিইউনিয়ন
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক


























