Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২৬,   চৈত্র ২০ ১৪৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:৫৩, ২৫ জুন ২০২২

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে আনন্দিত বিশ্বব্যাংকও

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বল।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বল।

দেশীয় অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। 

শনিবার (২৫ জুন) পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বল বলেন, “এটি একটি আনন্দের খবর। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিরাট অবদান রাখবে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার এটিই প্রকৃত সময়।”

পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে মার্সি টেম্বল বলেন, “বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী। আমরা এ সেতুর গুরুত্ব স্বীকার করি। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ বিপুল অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে।”

 মার্সি টেম্বল আরও বলেন, এ সেতুর মধ্য দিয়ে চাকরির ক্ষেত্র তৈরি হবে, যাত্রাপথে সময় কমবে, জনগণের আয় বাড়বে, বিনিয়োগের বাজার তৈরি হবে এবং জনগণের দারিদ্র্য কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে।

মার্সি টেম্বল বলেন, এ সেতুর কাজ শেষ হওয়ায় আমরা আনন্দিত। খুশি লাগছে বাংলাদেশ এ সেতুর মধ্য দিয়ে লাভবান হবে। দীর্ঘদিনের সহযোগী হিসেবে আমরা নিবিড়ভাবে বাংলাদেশের পাশে আছি।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অপরাপর অংশের জন্য সংযোগ, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার অনন্ত দুয়ার খুলে যায়।

২০১১ সালে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করা হয়। পরে বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে অর্থায়ন বন্ধ করে। বাকি দাতা সংস্থাগুলোও পিছিয়ে যায়। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে ঘোষণা করেন, বাংলাদেশ নিজেদের সামর্থ্যেই গড়ে তুলবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। উন্নয়ন-সহযোগীদের জানিয়ে দেওয়া হয়, তাদের অর্থায়নের দরকার নেই। সেতুর মূল কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের শেষের দিকে।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়