মো. কাওছার ইকবাল
আপডেট: ১১:১৭, ১৯ নভেম্বর ২০২৩
বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরী প্রকাশ্যে
বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীকে আশ্রয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার কানাডার গণমাধ্যম
প্রথমবারের মতো ক্যামেরায় দেখা গেল বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরী।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করেছে কানাডার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিবিসি। দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধুর এই খুনি কানাডায় মুক্তভাবে জীবনযাপন করলেও প্রথমবারের মতো দেখা গেল ক্যামেরায়।
টরন্টো থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরের ইটোবিকো এলাকায় বর্তমানে বসবাস করছেন তিনি। সেখানে একটি কনডোমিনিয়ামের তিন তলায় থাকেন ৭০ বছর বয়সী নূর চৌধুরী। প্রতিদিনই বিকেলে ব্যালকনিতে আসেন ফুলের পরিচর্যা করতে।
টেলিভিশনটির অনুসন্ধানী বিভাগ 'দ্য ফিফথ স্টেট' এ 'দ্য অ্যাসাসিন নেক্সট ডোর' শিরোনামের ৪২ মিনিটের এই প্রতিবেদনটি প্রচারিত হয় বাংলাদেশ সময় (১৭ নভেম্বর) শুক্রবার মধ্যরাতে।
প্রতিবেদনে টরন্টোর নিজ ফ্লাটের ব্যালকনিতে নূর চৌধুরীকে দেখানো হয়। গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নূর চৌধুরীকে ড্রাইভিং সিটে বসে থাকা অবস্থায় দেখা যায়। কিন্তু প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা না বলে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে চলে যান তিনি। দীর্ঘদিন অনুসরণ করে তাকে খুঁজে বের করেছে ফিফথ স্টেটের অনুসন্ধানী দলটি।
প্রতিবেদনে নূর চৌধুরীর কানাডায় পালিয়ে যাওয়া, ২৭ বছর সেখানে থেকে যাওয়া এবং খুনের অভিযোগে হওয়া শাস্তি বাস্তবায়নে তাকে বাংলাদেশের ফেরত চাওয়ার বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, এই একটি ইস্যু বাদে কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। কেবল বাংলাদেশি হাইকমিশনার হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ হিসেবে নূর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত চান তিনি।
বঙ্গবন্ধুকে গুলি করে হত্যার পর বিভিন্ন দেশে কূটনীতিকের চাকরি করেন নূর। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলে হংকং থেকে পালিয়ে কানাডায় চলে যান। ২০০৬ সালে শরণার্থী আবেদন নাকচ করে নূরকে দেশত্যাগের নির্দেশ দেয় কানাডা। কিন্তু দেশে ফিরলে মৃত্যুদণ্ড হবে জানিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের একটি আবেদন করেন তিনি। আর এভাবেই কানাডার মৃত্যুদণ্ডবিরোধী নীতি-অবস্থানের সুযোগ কাজে লাগান নূর।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য ঠান্ডা মাথায় বঙ্গবন্ধুকে তার নিজ বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই খুনিরা দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পরবর্তীতে তাদের কয়েকজনকে বিচারের আওতায় এনে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এখনও পাঁচজন বাকি আছে। তারা হলেন: আব্দুর রশীদ, শরীফুল হক ডালিম, মোসলেম উদ্দিন, রাশেদ চৌধুরী ও নূর চৌধুরী।
আই নিউজ/এইচএ
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক

























