নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ১৫:২৩, ৩ অক্টোবর ২০২০
‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল বলেই মানুষ সহযোগিতা পেয়েছে’
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের পাশাপাশি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলেই মানুষকে দুরবস্থায় পড়তে হয়নি।
তিনি বলেন, আমি দেখেছি যখনই যাকে বলেছি, কেউ এতটুকু পিছুপা হয়নি। মানে সব ধরনের সহযোগিতা নিয়ে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার মনে হয় একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল বলেই মানুষ এই সহযোগিতাটা পেয়েছে। এখানে যদি অন্য কেউ থাকত কত যে মানুষ মারা যেত, কত যে দুরাবস্থা হতো— ভাষায় বলা যায় না।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে সীমিত পরিসরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্যের শুরুতে করোনাভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যুবরণকারী নেতাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে এবার শুধু করোনা দুর্যোগ না, আমাদের আরও অনেক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হয়েছে। করোনার মধ্যেই আসলো ঘূর্ণিঝড়, তারপর বন্যা। সব মিলিয়ে সারাদেশের মানুষের জীবন দুর্বিসহ অবস্থার মধ্যে ছিল। কিন্তু সেই সময় আমাদের দলের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এলাকায় এলাকায় তৃণমূল পর্যন্ত মানুষের পাশে ছিল। মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত বা অসচ্ছল অনেকেই আছে, যারা করোনার মধ্যে ভীষণ কঠিন অবস্থায় পড়লেও অন্যের কাছে হাত পাততে পারেননি। তাদের খুঁজে বের করে তাদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজটি তারা করেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজটি তারা করেছে। বন্যায় সময়ও আমাদের নেতাকর্মীরা কিন্তু মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যেকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে।
‘করোনার কারণে সারাবিশ্ব অর্থনৈতিকভাবে স্থবির। সে ক্ষেত্রে আমরা সবসময় চেষ্টা করেছি, আমাদের অর্থনীতিটা যেন থেমে না যায়। সেভাবে বাজেট দিয়েছি। বাজেটে খুব বেশি একটা কমাইনি। বরং গত বাজেটের চেয়ে কিছুটা বাড়িয়েছি। আমরা বাজেটটা ঠিক রেখেছি, যেন আমাদের অর্থনীতিটা গতিশীল থাকে,’— বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, এই করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা আসবে। আর মন্দার সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, খাদ্যভাব দেখা দেয়। বাংলাদেশে যেন কোনোভাবেই খাদ্যাভাব দেখা না দেয়, কৃষক যেন মাঠে থাকে, ফসল যেন উৎপাদন হয়— আমরা সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। কারণ কৃষক মাঠে থাকলে ফসল ফলবে, সেটা আমাদের কাছে থাকলে অন্তত আমাদের খাবারের অভাবটা হবে না। আল্লাহর রহমতে সেটা কিন্তু হয়ওনি। এসময় করোনার মধ্যে কৃষকের ধান কাটার সময় পাশে দাঁড়ানোর জন্য নেতাকর্মীদের প্রশংসা করেন তিনি।
আইনিউজ/এসডিপি
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























