ঢাকা, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:১২, ১৯ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ১৫:৪০, ১৯ এপ্রিল ২০২১

চলমান লকডাউন বেড়েছে আরও ৭ দিন

দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হার নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। 

সোমবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিবদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ ছিল লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ালে বর্তমান চেইনটা ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে এবং সংক্রমণ নিম্নগামী হবে। সেটা বিবেচনায় নিয়ে ২২-২৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের সময় বাড়িয়ে সার সংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি সই করার পরে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এর আগে আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর কথা সরকার চিন্তা করছে বলে জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিওবার্তায় এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। 

তবে ঈদের আগে এই লকডাউন শিথিল হবে বলেও জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে সরকার ঈদের আগে লকডাউন শিথিলেরও চিন্তাভাবনা করছে। ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের বিষয়ে বিস্তারিত...

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার (১৮ এপ্রিল) রাতে এ বিষয়ে কমিটি ৩১তম অনলাইন সভায় আলোচনা করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা। 

পরে কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশগুলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।

সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগে সংক্রমণের হার বিবেচনা করে আবার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। ধীরে ধীরে লকডাউন শেষ করার পূর্ব পরিকল্পনা তৈরি রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়।

করোনা পরিস্থিতি অবনতির কারণে গত ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকার ঘোষিত আটদিনের লকডাউন চলছে সারা দেশে। দুদিন পর এই চলমান লকডাউনের সময় শেষ হওয়ার কথা।

জাতীয় কমিটি জানায়, তারা এর আগে সরকারকে কমপক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন ঘোষণার সুপারিশ করেছিল। সরকার এর মধ্যে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে। এতে তারা সন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে দুই সপ্তাহের কম লকডাউনে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায় না বলে মন্তব্য করেন তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টিও কমিটি উপলব্ধি করে। তবে বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক খোলা রাখা, ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল বাড়তে থাকা, ইফতার বাজারে অনাকাঙ্খিত ও অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভিড় লকডাউনের সাফল্যকে অনিশ্চিত করে। পাশাপাশি সভা সামাজিক সমতার বিষয়েও নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। স্বাস্থ্য, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া সব কিছু বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে, খোলা রাখা জরুরি সেবার তালিকা প্রকাশ করার জন্য কমিটির অনুরোধ করেছে। তা না হলে বিরূপ পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত...

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়