ঢাকা, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:২৯, ২০ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ২৩:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২১

সমঝোতা নয় হেফাজত-বিএনপি-জামায়াতকে শক্তভাবে দমনের দাবি ১৪ দলের

সমঝোতার কৌশলে না গিয়ে শক্তভাবে হেফাজতে ইসলামকে দমনের দাবি উঠেছে ১৪ দলের আলোচনায়। হেফাজত ছাড়াও বিএনপি-জামায়াতকেও দমনের দাবি জানানো হয়েছে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ১৪ দলের এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা এ দাবি জানান। 

১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু আলোচনা সভায় বলেন, হেফাজত ইস্যুতে সরকার সঠিক পথে সঠিকভাবেই এগোচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি ১৪ দলের সকলকে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, নীতির প্রশ্নে শক্তভাবে দাঁড়ালে ২০১৩ সালের ৫ মে তাণ্ডবের পরই হেফাজত প্রশ্নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমরা যদি নীতির প্রশ্নে শক্তভাবে দাঁড়াই, যদি আমরা শক্ত থাকি তাহলে কোনও অশুভ শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের যে নারকীয় ঘটনা ঘটিয়েছিল, তখন থেকেই আমাদের এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হাটহাজারীর তাণ্ডবের ঘটনায় আমির আমির বাবুনগরী দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে তোফায়েল আহমেদ উল্লেখ করেন।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, রাষ্ট্র এবং সংবিধানের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধ ঘোষণা করেছে তারা অদৃশ্য কোনও শত্রু নয়। তারা দৃশ্যমান সংগঠন হেফাজতে ইসলাম, জামায়াত ইসলাম এবং বিএনপি।

হাসানুল হক ইনু আরও বলেন, জঙ্গি, হেফাজত, জামাত-বিএনপিকে পক্ষে রাখার কৌশলটা ভ্রান্ত কৌশল। এই কৌশল পরিত্যাগ করতে হবে। বিএনপির সঙ্গে হেফাজত-জামায়াত, জঙ্গিদের আলাদা করার কৌশল আমাদের পরিহার করতে হবে। বিএনপিকে জামায়াত এবং হেফাজতের থেকে আলাদা করার প্রয়োজন মনে করি না। দুধ কলা দিয়ে সাপ পুষে লাভ নেই। সাপ ছোবল মারবেই।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, ধর্মের নামে ১৯৭১ সালে যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, গণহত্যা করেছিল, সেই শক্তি আজকেও বিভিন্ন নতুন নামে মাথাচাড়া দিয়ে উঠার পাঁয়তারা করছে। অবশ্য সরকার এটা কঠিনভাবে হস্তক্ষেপ করছে। এজন্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

এছাড়াও আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা। সভা সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়