ঢাকা, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৯ ১৪৩৩

আইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:০২, ২৬ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ০১:০৪, ২৭ এপ্রিল ২০২১

এক ব্যক্তিকে সুবিধা দিতে গিয়ে ভ্যাকসিন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে: ফখরুল

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলে অভিযোগ করেছেন একজন ব্যক্তিকে সুবিধা দিতে গিয়ে করোনা ভ্যাকসিন অবস্থা ভেঙে পড়েছে, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে সমগ্র জাতিকে চরম স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়ে সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ও দুর্নীতির পরিচয় দিয়েছে।

এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সোমবার দুপুরে তিনি বলেন, জনগণকে এই চরম অনিশ্চয়তায় ফেলা এবং জীবনের ঝুঁকি তৈরি করার অপরাধে সরকারকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালিককে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে পদত্যাগ করতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে বিএনপি যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সরকারকে বলে আসছে। একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া এবং কেবল একটি উৎস থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করার যে সিদ্ধান্ত, তা কতটা আত্মঘাতী হতে পারে সে বিষয়ে বরাবরই সতর্ক করে আসছে। আজ তা প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের কথায় সরকার কর্ণপাত করেনি। সরকার আর্থিক স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজেরা আমদানি না করে নিজেদের পছন্দমতো দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকোকে দায়িত্ব দিয়ে শুধু সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা সংগ্রহ করায় আজ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভারত সরকার রপ্তানি নিষিদ্ধের কারণে সেরাম ইনস্টিটিউট বাকি ভ্যাকসিন পাঠাতে অপারগতা জানিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, যা মজুদ আছে তাতে ১২ দিন চলবে। তারপর আর সরবরাহ সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত ৫৭ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। অথচ হার্ড ইউমিনিটি আনতে হলে ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া প্রয়োজন। এখন প্রথম ডোজ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। সরকার অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভ্যাকসিন আনতে যোগাযোগ করছে, শুধু ভারত থেকে না এনে আরও কয়েকটি দেশের  চুক্তি করতে। কিন্তু সরকার একটি প্রতিষ্ঠান এবং একজন ব্যক্তিকে সুবিধা দিতে গিয়ে এখন ভ্যাকসিন অবস্থা ভেঙে পড়েছে।

পরিশোধিত মূল্যের ভ্যাকসিন পেতে ভারতের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে হবে। ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক আইনের আশ্রয় নিতে হবে। অবিলম্বে জনগণের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়