ঢাকা, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৮ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৩৩, ৭ মে ২০২১
আপডেট: ২০:৫৫, ৭ মে ২০২১

শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের স্রোত

যাত্রীদের চাপে গাড়ি উঠতে পারছে না ফেরিতে

যাত্রীদের চাপে গাড়ি উঠতে পারছে না ফেরিতে

আগামী ১৩ বা ১৪ মে উদযাপিত হবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর এ উপলক্ষে ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বেড়েছে মানুষের ভিড়। করোনা সংক্রমণ রোধের নির্দেশনা উপেক্ষা করেই সবাই ছুটছে গ্রামে। লঞ্চ- স্পিডবোট বন্ধ থাকায় চাপ পড়েছে ফেরিতে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে শুক্রবার (৭ মে) সকাল থেকে হঠাৎ করেই ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। ঈদের এখনও এক সপ্তাহ বাকি থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঘরমুখো যাত্রা শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে। বেলা সোয়া ১১টার দিকে শিমুলিয়া থেকে রোরো ফেরি এনায়েতপুরী শুধুমাত্র যাত্রী নিয়েই শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে ভেড়ে। এসময় ফেরিতে কোনো গাড়ি ছিল না।

স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই, সবাই গাদাগাদি করে ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করছে। এতে পণ্যবাহী গাড়ি পারাপারে হিমশিম খাচ্ছে বিআইডব্লিউটিসি। ১৩টি ফেরি দিয়েও কমানো যাচ্ছে না চাপ।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ হিলাল উদ্দিন জানান, শুক্রবার ভোর থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শুধুমাত্র যাত্রী পারাপার করা হয়েছে। পরবর্তীতে চাপ কিছুটা কমলে যানবাহন পারাপার করা হয়। দুপুর ১টার দিকে ঘাটে সাত শতাধিক যানবাহন পারাপারের জন্য সিরিয়াল দেয়। বিকেলে সেই সিরিয়ালে যুক্ত হয় আরো তিন শতাধিক ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী গাড়ি।

যাত্রীদের পারাপারের জন্য ফেরির বিকল্প কোনো নৌযান না থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের প্রচুর চাপ রয়েছে। ঘাটে ফেরি ভিড়লেই যাত্রী উঠে যাচ্ছে। এতে করে গাড়ি উঠতে পারছে না ফেরিতে। বাধ্য হয়েই শুধু যাত্রীদের নিয়ে ফেরি চলাচল করছে।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ জানান, লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় পুরো চাপ পড়ছে ফেরিতে। যাত্রী ও যানবাহনের চাপ একসঙ্গে সামলাতে বেগ পেতে হয়েছে। রো-রো ফেরিসহ ১৩টি ফেরি দিয়ে নির্বিঘ্নে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের চেষ্টা চলছে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়