আইনিউজ ডেস্ক
আপডেট: ২৩:৪১, ৯ মে ২০২১
বিশ্ব মা দিবস আজ
বিশ্ব মা দিবস আজ। প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সবশেষ আশ্রয়স্থল মা। শৈশব থেকে আনন্দ-বেদনা-ভয় কিংবা উদ্দীপনা- প্রতিটি মানবিক অনুভূতিতে জড়িয়ে থাকে মায়ের নাম।
মা ও সন্তানের আত্মিক বন্ধন নিয়ে রচিত হয়েছে বহু গান, কবিতা, গল্প, উপন্যাস। সৃষ্টি হয়েছে বহু কালজয়ী শিল্পকর্ম। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম শুরু হয় মা দিবসের প্রচলন। যদিও প্রাচীন গ্রীক ও রোমানদের মধ্যেও মাকে সম্মান জানাতে বিশেষ দিবসের প্রচলন ছিল বলে জানান ইতিহাসবিদরা।
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানানো হয় মমতাময়ী মায়ের প্রতি। মা দিবসের প্রবক্তা আনা জার্ভিস দিবসটির বাণিজ্যিকীকরণের বিরোধিতা করে বলেছিলেন, মাকে কার্ড দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর অর্থ হলো, তাকে দুই কলম লেখার সময় হয় না। চকলেট উপহার দেওয়ার অর্থ হলো, তা নিজেই খেয়ে ফেলা।

প্রথম দিকে ওই বিশেষ দিনটিতে শুধুমাত্র মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হতো। তবে পরবর্তীতে মাতৃসম যেকোনো নারীকে কুর্নিশ জানানোর চল দেখা যায়। বর্তমানে ৪০টিরও বেশি দেশ ওই উৎসব পালন করে থাকে। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারই আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবস উদযাপন হিসেবে করা হয়ে থাকে। তবে অনেক দেশই অন্যদিনকে উৎসর্গ করেছে মায়েদের জন্য। সাধারণত মার্চ কিংবা মে-তেই পালিত হয় 'মাদার্স ডে'।
১৯০৭ সালের ১২ মে প্রথমবার ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গ্রাফটন শহরে 'মাদার্স ডে' পালিত হয়েছিল। অ্যানা জার্ভিস নামের এক মার্কিন নারী তার মা অ্যান মারিয়া রিভস জার্ভিসের মৃত্যুদিনটি একটু অন্যভাবে পালন করার কথা ভেবেছিলেন। অ্যান সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি নারীদের জন্য কাজ শুরু করেন। ছোট ছোট ওয়ার্ক ক্লাব বানিয়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য কাজ করতেন তিনি।

একদিন ছোট মেয়েটির সামনেই ধর্মপ্রাণ অ্যান হাত জোড় করে বলেছিলেন, 'আমি আশা করি, প্রার্থনা করি, একদিন কেউ না কেউ, কোনো মায়েদের জন্য একটা দিন উৎসর্গ করুক। কারণ তারা প্রতিদিন মনুষ্যত্বের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে চলেছেন। এটা তাদের অধিকার'। মায়ের প্রতিটি শব্দ মনে রেখেছিলেন অ্যানা। আর সেই কারণেই অ্যানের মৃত্যুর দিনটিকে (১২ মে, ১৯০৭) সারাবিশ্বের প্রতিটি মায়ের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন তিনি। তারপর থেকে মায়েদের প্রতি সম্মানে পালিত হয়ে আসছে মা দিবস।
করোনার কারণে দেখা যাচ্ছেনা মা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। কিন্তু সন্তানদের ভালোবাসা আটকে রাখেনি করোনা, এতোটাও ক্ষমতা পায়নি এই ভাইরাস। বাইরে মাকে নিয়ে একটু ঘুরে আসতে না পারলেও, কোনও না কোনভাবে মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শণ করবে সন্তান।
আইনিউজ/এসডি
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























