ঢাকা, শুক্রবার ২১ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:৪৯, ১৯ জুন ২০২১
আপডেট: ২২:১৬, ১৯ জুন ২০২১

‘বাবা-মা-বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়েছিলেন মেহজাবিন’

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বড় মেয়ে মেহজাবিনকে আটক করেছে পুলিশ। 

পুলিশ জানিয়েছে, বাবা, মা ও বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়েছিলেন ঘাতক মেহজাবিন। এরপর পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। অন্যথায় স্বামী ও সন্তানকেও মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। 

ওয়ারী জোনের ডিসি ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, মেহজাবিন হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে ফোন দেয়। পুলিশ দ্রুত না গেলে তার স্বামী ও সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় সে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে না গেলে দ্বিতীয় স্বামী শফিকুল ইসলাম ও আগের ঘরের মেয়ে তৃপ্তিয়াকে হয় তো তিনি মেরে ফেলতেন।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ জানিয়েছে, রাতে বাবা-মা ও বোনকে হত্যা করেন মেহজাবিন। এরপর সকাল ৮টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করেন তিনি। এ সময় তিনি জানান, পুলিশ দ্রুত না আসলে স্বামী ও সন্তানকে তিনি মেরে ফেলবেন। 

এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। আর আহত অবস্থায় তার স্বামী ও মেয়েকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। 

শনিবার সকালে কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার ২৮, লালমিয়া সরকার রোডের ছয় তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে মেহজাবিনের মা মৌসুমী ইসলাম (৪০) বাবা মাসুদ রানা (৫০) ও বোন জান্নাতুলের (২০) লাশ উদ্ধার করা হয়।  

আরও পড়ুন: কদমতলীতে মা-বাবা-মেয়েকে হত্যা: আটক ১

পুলিশ জানিয়েছে, রাতে পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান মেহজাবিন। সবাই অচেতন হয়ে পড়লে মা-বাবা ও বোনকে রশি দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। স্বামী ও শিশু সন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। তবে তারা অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন।   

কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মরদেহগুলো হাত পা বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। গতকালকে রাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছে তাদেরই আরেক মেয়ে। সেই মেয়েকে আটক করা হয়েছে।’

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়