নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ১৩:১৬, ২৪ জুন ২০২১
ব্র্যাক ব্যাংকের পর এবার ব্যাংক এশিয়ায় নিষিদ্ধ ইভ্যালি
দেশের জনপ্রিয় ই-কমার্সের সাইট ইভ্যালিতে (Evaly) ব্র্যাক ব্যাংক তাদের ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডের লেনদেন বাতিল ঘোষণা করেছে। এবার ব্র্যাক ব্যাংকের পর একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক এশিয়াও। ইভ্যালির পাশাপাশি নিষিদ্ধ করা হয়েছে অ্যালেশা মার্টসহ ১০টি ই-কমার্স সাইট।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপিং, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, কিউকম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম বিডি। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে ও সোশ্যাল সাইটগুলোতে ইভ্যালির বিরুদ্ধে নেতিবাচক সমালচনার ফলে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে।
ভ্যালি, অ্যালেশা মার্ট ছাড়াও ধামাকা শপিং, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, কিউকম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম বিডিতে কার্ড লেনদেন না করার নির্দেশনা দিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া।
পাশাপাশি গ্রাহকদের ই-মেইলের মাধ্যমে ও মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ড দিয়ে এসব সাইট থেকে কেনাকাটা না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এসব অনলাইন মার্কেটপ্লেস নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ আসায় এরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে তারা। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে কার্ডের মাধ্যমে অগ্রিম মূল্য নেওয়ার পরও সময়মতো পণ্য সরবরাহ করছে না।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) নিজস্ব ওয়েবসাইটে ১০টি ই-কমার্স সাইটের নাম উল্লেখ করে ব্র্যাক ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) একই সিদ্ধান্তে আসে ব্যাংক এশিয়া।
ব্যাংক এশিয়ার নিজ গ্রাহকদের পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, ‘টেকনিক্যাল কারণে ব্যাংক এশিয়া কার্ডে কিছু লোকাল ই-কমার্স লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।’ এ বিষয়ে বিস্তারিত ১৬২০৫ নাম্বারে কল করে জানতে বলা হয়েছে।
শুধু এই দুই ব্যাংকই নয়, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবি) ও সিটি ব্যাংকও তাদের গ্রাহকদের সম্ভাব্য প্রতারণার ব্যাপারে সতর্ক করেছে। বুধবার ইউসিবি তাদের গ্রাহকদের এক বার্তায় জানিয়েছে, ইউসিবি কার্ড দিয়ে ই-কমার্স ট্রানজেকশনে অনলাইন মার্চেন্টের সাথে লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জন্য ইউসিবি দায়ী থাকবে না।
উল্লেখ্য, বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। নতুন এই ব্যবসাপদ্ধতিতে অনলাইন বাজারগুলো ক্রেতাদের কাছ থেকে কয়েক মাসের অগ্রিম টাকা সংগ্রহ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য সরবরাহ করতে আরও বেশি সময় নিয়ে থাকে।
এছাড়া, প্রায়ই তারা ক্রেতাদের জানিয়ে দেয় যে, তাদের অর্ডার করা পণ্যগুলো শেষ হয়ে গেছে। আর তাই সেটা পাঠানো সম্ভব নয়। তবে, মাসের পর মাস ধরে অপেক্ষার পরেও প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ক্রেতারা তাদের টাকা ফেরত পান না বলে অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। অনলাইন ক্রেতাদের লোভনীয় সব ছাড়ের ফাঁদে ফেলে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকও।
আইনিউজ/এসডি
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক






















