ঢাকা, শনিবার ০১ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ১৭ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ১৪:৫৪, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
আপডেট: ১৪:৫৪, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এক টাকায় স্যানিটারি ন্যাপকিন

এক টাকায় স্যানিটারি ন্যাপকিন! শুনতে অবাক লাগলেও তিন লাখ স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপাদনের সব আয়োজন প্রস্তুত।

এই তিন লাখ ন্যাপকিন বিনা মূল্যে বিতরণ করা হবে। কয়েকটি এতিমখানায় এই ন্যাপকিন বিতরণও করা হয়েছে। মূলত যাদের বাজার থেকে ন্যাপকিন কিনে ব্যবহার করার সামর্থ নেই তাদের জন্যই এই প্রকল্প।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এই উদ্যোগটি নিয়েছে। ন্যাপকিন উৎপাদনের এই প্রকল্পটি পরিচালনা করছেন দীপ্তি চৌধুরী ও রাখিমা খাতুন।

রাজধানীর মিরপুরে তাদের বাসন্তী নামের কারখানায় দেখা যায় ন্যাপকিন উৎপাদনে কর্মীরা পার করছেন ব্যস্ত সময়। কেউ ন্যাপকিনগুলো আলট্রা ভায়োলেট মেশিনে পরিশুদ্ধ করছেন, কেউ তা ভাঁজ করছেন, আবার কেউ কেউ প্যাকেট বানাচ্ছেন। তাদের উৎপাদিত একটি প্যাকেটে পাঁচটা করে স্যানিটারি ন্যাপকিন থাকবে।

এই ন্যাপকিনের সুবিধা নিয়ে সুলতানা জান্নাত নামে একজন বলেন, ‘বাজারের অন্যান্য ন্যাপকিনের মতোই এগুলো। আর পাতলা হওয়ায় খুব স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যায়।’ এছাড়াও গার্মেন্টসের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকরা সেটি ব্যবহার করেছেন, তারাও এই ন্যাপকিনের প্রসংশা করেছেন।

উৎপাদিত ন্যাপকিন থেকে প্রথমে তিন লাখ ন্যাপকিন বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। তারপর প্রতি প্যাকেটের দাম নেওয়া হবে পাঁচ টাকা করে। প্যাকেটের ভিতরের পাঁচটি ন্যাপকিনের জন্য ১ টাকা করে দাম ধরা হয়েছে। ভবিষ্যতে এক কোটি ন্যাপকিন বিক্রির কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকল্পের অন্যতম পরিচালক দীপ্তি চৌধুরী বলেন, ১ টাকা করেই স্যানিটারি ন্যাপকিনগুলোর দাম রাখা হবে। এর মাধ্যমে যিনি নিচ্ছেন তিনিও মনে করবেন না যে বিনামূল্যে নিচ্ছেন, আবার যিনি দিচ্ছেন তিনিও মনে করবেন না যে বিনামূল্যে দিয়ে দিচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের জন্য স্কুল-কলেজের যে কোনো শিক্ষার্থী কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তাকে চার ঘন্টা কাজের বিনিময়ে ১৫০ টাকা দেওয়া হবে।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন বস্তিগুলোতে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে এই প্রকল্পে। এর মাধ্যমে বস্তিতে বসবাস করা কিশোরী ও নারীরা প্রয়োজনমত নিজেরাই স্যানিটারি ন্যাপকিন সংগ্রহ করতে পারবেন।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়