ঢাকা, শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩১ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ১২:৪৭, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
আপডেট: ১২:৫১, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এখনো অক্ষত রয়েছে চন্দ্রযান-২ : ইসরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩৮ মিনিটে শুরু হয় চন্দ্রযান-২ বিক্রমের অবতরণ প্রক্রিয়া। চন্দ্রজয়ের স্বপ্ন থেকে ভারত যখন মাত্র ২.১ কি.মি দূরে ঠিক তখনি কিছু একটা গোলমাল দেখা দেয়। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযান-২ এর নভোচারী বিক্রমের সাথে। খুব কাছে গিয়ে চন্দ্র বিজয় করা হয়নি। তবে এখনো চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার অক্ষত আছে বলে দাবি করছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।  চন্দ্রপৃষ্টে ল্যান্ডারটির অবস্থান শনাক্ত করা গেলেও বিক্রমের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

এনডিটিভির খবর থেকে জানা যায়, সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) চন্দ্রযান-২ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত ইসরোর এক কর্মকর্তা ল্যান্ডার বিক্রম অক্ষত রয়েছে এবং সেটি ভেঙে পড়েনি বলে জানিয়েছেন। ল্যান্ডারটির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

ওই কর্মকর্তা বলেন, “অরবিটারে থাকা ক্যামেরায় তুলে পাঠানো ছবি থেকে বোঝা যাচ্ছে চন্দ্রপৃষ্ঠ ছোঁয়ার আগে, সেটি দ্রুত অবতরণ করে। ল্যান্ডারটি অক্ষত রয়েছে, সেটি ভেঙে টুকরো হয়ে যায়নি। শুধু হেলে পড়ে রয়েছে এটি।”

শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩৮ মিনিটে শুরু হয় চন্দ্রযান-২ বিক্রমের অবতরণ প্রক্রিয়া। কিন্তু চাঁদের মাটি থেকে ২.১ কিলোমিটার ওপরে থাকার সময় বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

পরের দিন ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআইকে ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবন বলেন, “বিক্রম এখন চন্দ্রপৃষ্ঠের কোন জায়গায় আছে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। ল্যান্ডারের একটি থার্মাল ইমেজেও তোলা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বিক্রমের সঙ্গে আমরা এখনো যোগাযোগ করতে পারিনি। তবে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করছি, শিগগিরই আমরা বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হব।”

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কোনো যান অবতরণকারী প্রথম দেশ হিসেবে নাম লেখাতে ব্যর্থ হয় ভারত। চাঁদের বুকে নামার চূড়ান্ত মুহূর্তে চন্দ্রযান-২ বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিজ্ঞানীদের। তবে সেটির সঙ্গে আবার যোগাযোগ সংযোগ স্থাপনের জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

২২ জুলাই ১০০০ কোটি রুপির এই চন্দ্র অভিযান শুরু করে ভারত। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের চাঁদে সফল অবতরণ করে।ইসরো চেয়ারম্যান কে সিভান চন্দ্রযান-২’কে উল্লেখ করেন ‘‘ইসরোর সবচেয়ে জটিল মিশন” বলে।

কী ছিলো চন্দ্রযান-২ চাঁদে প্রেরণের উদ্দেশ্য?

জানা যায় চন্দ্রযান-২ অভিযানের মূল বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্য ছিলো চন্দ্র-জলের অবস্থান এবং প্রাচুর্যতা নিয়ে মানচিত্র তৈরি করা। এছাড়াও এর প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলি ছিলো চন্দ্র পৃষ্ঠে নরম-জমির সক্ষমতা প্রদর্শন করা এবং চন্দ্র পৃষ্ঠে একটি রোবোটিক রোভার পরিচালনা করা। বৈজ্ঞানিক লক্ষ্যগুলির মধ্যে চান্দ্র ভূসংস্থান, খনিজবিদ্যা, মৌলিক প্রাচুর্য, চন্দ্র এক্সোস্ফিয়ার

আইনিউজ/এইচএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়