নিজস্ব প্রতিবেদক
পরীক্ষা না করেই ‘ইভিএমে কারচুপির সুযোগ নেই’ বলেছেন বিশেষজ্ঞরা
ইভিএম মেশিন। ফাইল ছবি
নিজেরা পরীক্ষা করে দেখা ছাড়াই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ “কারচুপির সুযোগ নেই” বলে জানিয়েছিলেন ইভিএম দেখতে যাওয়া বিশেষজ্ঞরা। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ এ সম্পর্কে বলেন, ওই স্বল্প সময়ে ইভিএম আমরা নিজেরা কিন্তু পরীক্ষা করে দেখিনি। তারা মেশিন দেখিয়ে যা বলেছে এবং আমরা আমাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে ইভিএম সম্পর্কে কথা বলেছি।
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এই সাবেক শিক্ষক।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের ডাকে সাড়া দিয়ে ড. জাফর ইকবালসহ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের ইভিএম দেখতে যান। সেই দলে ছিলেন ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদও।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এই ইভিএম আমাদের দেশে ডিজাইন করা এবং বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা। প্রযুক্তির শিক্ষক হিসেবে বাংলাদেশের যেকোনো প্রযুক্তির বিষয়ে আমার আগ্রহ ও পৃষ্ঠপোষকতা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আমাদের নির্বাচনে যেরকম সমস্যা হতে পারে তা বিবেচনায় নিয়েই এটি ডিজাইন করা হয়েছে। মেশিনের প্রতিটি অংশ তারা দেখিয়েছে। এটি এমন কোনো কঠিন প্রোগ্রামিংয়ের বিষয় নয়। প্রত্যেকটি অংশ কাস্টমাইজড। এর কোনো অংশ অন্য আরেকটি দিয়ে পরিবর্তন করা যাবে না। আমরা আমাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিয়ে বুঝেছি, সত্যি যদি এমন হয়ে থাকে, তাহলে এটা খুব ভালো একটি মেশিন। তবে বলে রাখা দরকার, ওই স্বল্প সময়ে ইভিএম আমরা নিজেরা কিন্তু পরীক্ষা করে দেখিনি। তারা মেশিন দেখিয়ে যা বলেছে এবং আমরা আমাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে ইভিএম সম্পর্কে কথা বলেছি। নির্বাচন কমিশন বা রাজনৈতিক দলগুলো এখন এটা পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে, যা বলা হচ্ছে তা ঠিক কি না। মেশিনের কোনো ভুলত্রুটি ধরা পড়ে কি না।''
''এটাকে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভাষায় বলে ব্ল্যাকবক্স টেস্টিং, যা ব্যবহারকারীরা করতে পারেন এবং ইনপুটের বিপরীত কাঙ্ক্ষিত আউটপুট পাওয়া গেলে তার সঠিকতার ওপর আমরা আস্থা রাখতে পারি। আবার বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হোয়াইট বক্স টেস্টিংও করতে পারি।”
কোথায় পরীক্ষা হতে পারে- জানতে চাইলে ড. কায়কোবাদ বলেন, “বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আমাদের দেশের জনগণের আস্থা রয়েছে। আমাদের বড় বড় প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলো এখানে পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। সুতরাং এই যন্ত্রটিও সেখানে পরীক্ষা করা যেতে পারে।”
তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সাফাই গাওয়ার জন্য আমি নির্বাচন কমিশনে যাইনি। প্রযুক্তিবিদ হিসেবে আমাকে ডাকা হয়েছে। প্রযুক্তি নিয়েই শুধু কথা বলেছি। এই ইভিএম ম্যানুপুলেট করে ফল পরিবর্তন করা যাবে না, সে কথা বলেছি। নির্বাচন কমিশনের জন-আস্থা বা গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাইনি।”
সাক্ষাৎকারে ড. কায়কোবাদ আরও বলেন, “আমার মনে হয় যে, সাংবাদিক হিসেবে আপনারা নির্বাচন কমিশনকে বলতে পারেন, আমরা মেশিনটি ব্যবহার করে দেখতে চাই, এটা ম্যালফাংশন করে কি না। আপনারা বারবার ভোট দিয়ে তারপর দেখেন এটা ঠিক কাজ করে কি না। অনেকবার যদি আমরা টেস্ট করি, তখন আমাদের হয়তো একটা কনফিডেন্স আসবে।”
আইনিউজ/এসডি
ঝড়ে মারা যায় পাখির ছানা, গাছে বাসা দিলেন পুলিশ অফিসার
বন্যার স্রোতে তলিয়ে গেল ব্রিজটি
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক

























