Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, সোমবার   ০৯ মার্চ ২০২৬,   ফাল্গুন ২৫ ১৪৩২

আই নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:১৭, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

সেই ট্রেনে পু ড়ে ম রা যুবকের লা শ ৪০ দিন পর পেলেন স্বজনরা 

৫ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।ছবি- সংগৃহীত

৫ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।ছবি- সংগৃহীত

চলতি বছরের একেবারে শুরুর দিকে রাজনৈতিক স হিং স তা র শি কার হয়ে ৫ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। সেই ট্রেনে পু ড়ে মারা যান চার যাত্রী। তবে আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়ায় মরদেহগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ৪০ পর ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে মরদেহগুলো শনাক্ত করে নিহতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে ঢাকা রেলওয়ে থানা পুলিশ। 

শনাক্ত হওয়া মরদেহগুলো হলো- রাজবাড়ির আবু তালহা (২৩), চন্দ্রীমা চৌধুরী সৌমি (২৮), এলিনা ইয়াসমিন (৪৪) ও পুরান ঢাকার নাতাশা জিয়াসমিন নেকি (২৫)।

ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) অফিসার ইনচার্জ (ওসি)‌ ফেরদাউস আহ‌াম্মেদ বিশ্বাস জানান, বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় মরদেহ চারটি একবারেই পোড়া ছিল। এজন্য চেহারা দেখে শনাক্ত করার উপায় ছিল না। আদালতের আদেশক্রমে দাবিকৃত স্বজনদের ও পোড়া মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি ল্যাবে ক্রস ম্যাচিং করা হয়। এর মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। আজ লাশগুলো স্বজনদের কাছে লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হলো।
 
ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে এলিনা ইয়াসমিনের মরদেহ গ্রহণ করেন ভাই মনিরুজ্জামান মামুন। নাতাশার জেসমিনের মরদেহ গ্রহণ করেন বড় ভাই খুরশীদ আহমেদ। আবু তালহার মরদেহ গ্রহণ করেন মামা মনিরুল ইসলাম এবং চন্দ্রিমা চৌধুরীর মরদেহ গ্রহণ করেন বড় ভাই ডা. দিবাকর চৌধুরী।

আই নিউজ/এইচএ 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়