ঢাকা, সোমবার   ২০ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৩৬, ৯ জানুয়ারি ২০২২

মিতু হত্যা মামলা : নিজের করা মামলায় নিজেই ফাঁসলেন বাবুল আক্তার

বাবুল আক্তার ও তাঁর স্ত্রী মিতু। ফাইল ছবি

বাবুল আক্তার ও তাঁর স্ত্রী মিতু। ফাইল ছবি

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের নিজের দায়ের করা মামলায় তাকেই গ্রেফতার দেখাতে আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার (৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল হালিমের আদালত এ আদেশ দেন।

এ সময় বাবুল আক্তার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের করা মামলায় আগে থেকে কারাগারে আছেন বাবুল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক আবু জাফর মো. ওমর ফারুক এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মিতু হত্যাকাণ্ডে স্বামী বাবুল আক্তারের জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্তে উঠে এসেছে। একই ঘটনায় দায়ের হওয়া দ্বিতীয় মামলায় তিনি কারাগারে আছেন। তাকে প্রথম মামলায়ও গ্রেফতারের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত আজ (রবিবার) তদন্ত কর্মকর্তা এবং বাবুল আক্তারের উপস্থিতিতে শুনানির তারিখ ধার্য করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত প্রথম মামলায়ও বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার দেখাতে আদেশ দিয়েছেন।’

ত বছরের ২৩ ডিসেম্বর বাবুল আক্তারকে তার নিজের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক। নির্ধারিত দিনে শুনানির সময় অভিযুক্ত বাবুল আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, 'তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করেছিলেন। আদালত শুনানি শেষে সেটা মঞ্জুর করেছেন।'

বাবুল আক্তারের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। তিনি বলেন, 'একই বিষয়ে দুটি মামলা চলমান। আগের মামলার সূত্র ধরে পরের মামলাটি হয়েছে। একজন ব্যক্তি একই অভিযোগে দুই মামলার আসামি হতে পারেন না। এজন্য আমাদের পক্ষ থেকে গ্রেফতার না দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন।'

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে।

স্ত্রী খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা নাটকীয়তার পর ২০১৬ সালের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আইনিউজ/এসডি

ওমিক্রন এক চেনা উদ্বেগ, করোনাভাইরাসের `ভয়াবহ` ভ্যারিয়েন্ট

ঘুরে আসুন মৌলভীবাজারের পাথারিয়া পাহাড়

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়