প্রকাশিত: ০৭:৫৬, ২৬ এপ্রিল ২০১৯
আপডেট: ০৭:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০১৯
আপডেট: ০৭:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০১৯
ভাবনা : এই সময়
বিষয়টির শেকড় অনেক গভীরে। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আগাগোড়া একটা ভাবনা জরুরী। দু’লাইনের ফেসবুক পোস্ট (আমার মতোন) বা চায়ের টেবিলে ঝড় (যা, আমিও তুলি) এতে সমাধান আসবে না। সামরিক বেসামরিক শাসনের খোলসে-দীর্ঘ সময়ে রাষ্ট্রকে দখল করে রাখা শাসকদের ধারাবাহিক আপোষ। যে স্তম্ভগুলোর জন্য আমাদের মুক্তিযুদ্ধ-সেই স্তম্ভগুলোতে দু দশকের বেশি সময় রাষ্ট্রের উদাসীনতা। এমনকি শাহ আজিজ থেকে নিজামী যখন রাষ্ট্রের মন্ত্রী হয়-তখন শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে স্থায়ী অসুখই স্বাভাবিক। অন্যদিকে যখন মুছে যায় ড. হূমায়ুন আজাদ-সেটিও শঙ্কার। তাই এমন অসুখ অস্বাভাবিক নয়-এটা নিশ্চিতই বলা যায়।
পরিমল থেকে সিরাজ বা বিভিন্ন মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা থেকে রবীন্দ্রনাথের পিতার নাম মিয়া খলিফা খোঁজা একই ধারাবাহিকতার অংশ। এই শহরে প্রায় লাখ টাকা বেতনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর তার সাথেই বিনা বেতনে কোনও মতে মাথা গুঁজে বেঁচে থাকার মতোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। একটুকরো জমি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বানিয়ে মানসিক শান্তি খোঁজা-এমন প্রবণতাও রয়েছে।
একই সাথে যেসব প্রতিষ্ঠানের সাথে ধর্মীয় আবেগ, সেখানে কথা বলাতেও বিড়ম্বনা। এই সব কিছুরই সমাধান দরকার। দরকার-পুরো ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তার। মাঝে মাঝে দু’একটি ঘটনা সামনে আসে-কিন্তু চাপা থাকছে অজস্র ঘটনা। সে কারণেই ভাবনাটি ডাল বা কাণ্ডের পরিচর্যায় না ভেবে ভাবতে হবে শেকড়ের সংস্কারের।
মানুষ প্রতিবাদ করছে, করবে। মিডিয়ার শিরোনামে আছে থাকবে হয়তো আরো কয়েকটা দিন। তারপর নতুন কোনও ঘটনায় চাপা পরে যাবে এই ঘটনা। এদেশে ‘ভাইরাল’ হবার মতো সত্য বা মিথ্যা ইস্যুর অভাব নাই। এই সংকট সমাধানে পদক্ষেপটা রাষ্ট্রকেই নিতে হবে, সাথে থাকতে হবে নাগরিকের সদিচ্ছা। একমাত্র এভাবেই পুরো সিস্টেমটার জন্য নতুন কিছু ভাবতে বা করতে পারা সম্ভব। করতে পারলেই-আমার নতুন কোনও নুসরাত আর পুড়বে না, নীরবে নিপীড়ন হজম করবে না কোনও সন্তান, অরিত্রির মতো কেউ আত্মহত্যা করবে না। প্রশ্নপত্রে চিনবে না সানি লিওন বা মিয়া খলিফাদের।
আমরা হলি আর্টিজান বেকারীর হামলার সময়ে এলিট নর্থ সাউথ আর প্রান্তিক মাদ্রাসা ছাত্রের সম্মিলন দেখেছি। সেখানে থেকেই শিক্ষা নেয়া যেতে পারে-সে কোনও অসহিষ্ণুতা, বিকৃতি বা নিপীড়নের শ্রেণি বিভাজন জরুরী নয়। জরুরী বিষয়টি নিয়ে ভাবা, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া-দৃষ্টান্ত তৈরি। এবং অবশ্যই সেই দৃষ্টান্তের জন্য প্রয়োজনে আইন কাঠামো ও তার প্রয়োগ আরো শক্তভাবে করতে হবে। এই ধরনের ঘটনায় অনেকে ক্রসফায়ার বা আরো বিবিধ কথায় ক্রোধ প্রকাশ করেন। কিন্তু বিচারব্যবস্থা দেশে চলমান, সমাধানগুলো সেখানেই হতে হবে। একটা ক্রসফায়ার হয়তো একটি ঘটনার দৃষ্টান্ত ভেবে কারো স্বস্তি আসতে পারে, কিন্তু কেউ যখন এমন হত্যার দাবি তোলেন-তখন কি প্রচলিত আইন বা বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থার বিষয়টি ভেবে দেখছেন? সংকটটা বড়-সমাধান অযোগ্য নয়। একজন নুসরাত আমাদের সাহস দেয়, সিরাজ বা পরিমল দেখিয়ে দেয় অপরাধীর বিবিধ নৃশংসতা। অন্যদিকে গতকাল পাবলিক হওয়া প্রশ্নের মান আমাদের দেখিয়ে দেয় কতটা অবহেলা আর যথেচ্ছাচারে রবীন্দ্রনাথের পিতার নাম মিয়া খলিফা ভাবতে পারে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান? মানুষ প্রতিবাদ করছে, করবে। মিডিয়ার শিরোনামে আছে থাকবে হয়তো আরো কয়েকটা দিন। তারপর নতুন কোনও ঘটনায় চাপা পরে যাবে এই ঘটনা। এদেশে ‘ভাইরাল’ হবার মতো সত্য বা মিথ্যা ইস্যুর অভাব নাই। এই সংকট সমাধানে পদক্ষেপটা রাষ্ট্রকেই নিতে হবে, সাথে থাকতে হবে নাগরিকের সদিচ্ছা। একমাত্র এভাবেই পুরো সিস্টেমটার জন্য নতুন কিছু ভাবতে বা করতে পারা সম্ভব। করতে পারলেই-আমার নতুন কোনও নুসরাত আর পুড়বে না, নীরবে নিপীড়ন হজম করবে না কোনও সন্তান, অরিত্রির মতো কেউ আত্মহত্যা করবে না। প্রশ্নপত্রে চিনবে না সানি লিওন বা মিয়া খলিফাদের।
মানুষ প্রতিবাদ করছে, করবে। মিডিয়ার শিরোনামে আছে থাকবে হয়তো আরো কয়েকটা দিন। তারপর নতুন কোনও ঘটনায় চাপা পরে যাবে এই ঘটনা। এদেশে ‘ভাইরাল’ হবার মতো সত্য বা মিথ্যা ইস্যুর অভাব নাই। এই সংকট সমাধানে পদক্ষেপটা রাষ্ট্রকেই নিতে হবে, সাথে থাকতে হবে নাগরিকের সদিচ্ছা। একমাত্র এভাবেই পুরো সিস্টেমটার জন্য নতুন কিছু ভাবতে বা করতে পারা সম্ভব। করতে পারলেই-আমার নতুন কোনও নুসরাত আর পুড়বে না, নীরবে নিপীড়ন হজম করবে না কোনও সন্তান, অরিত্রির মতো কেউ আত্মহত্যা করবে না। প্রশ্নপত্রে চিনবে না সানি লিওন বা মিয়া খলিফাদের।
আমরা হলি আর্টিজান বেকারীর হামলার সময়ে এলিট নর্থ সাউথ আর প্রান্তিক মাদ্রাসা ছাত্রের সম্মিলন দেখেছি। সেখানে থেকেই শিক্ষা নেয়া যেতে পারে-সে কোনও অসহিষ্ণুতা, বিকৃতি বা নিপীড়নের শ্রেণি বিভাজন জরুরী নয়। জরুরী বিষয়টি নিয়ে ভাবা, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া-দৃষ্টান্ত তৈরি। এবং অবশ্যই সেই দৃষ্টান্তের জন্য প্রয়োজনে আইন কাঠামো ও তার প্রয়োগ আরো শক্তভাবে করতে হবে। এই ধরনের ঘটনায় অনেকে ক্রসফায়ার বা আরো বিবিধ কথায় ক্রোধ প্রকাশ করেন। কিন্তু বিচারব্যবস্থা দেশে চলমান, সমাধানগুলো সেখানেই হতে হবে। একটা ক্রসফায়ার হয়তো একটি ঘটনার দৃষ্টান্ত ভেবে কারো স্বস্তি আসতে পারে, কিন্তু কেউ যখন এমন হত্যার দাবি তোলেন-তখন কি প্রচলিত আইন বা বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থার বিষয়টি ভেবে দেখছেন? সংকটটা বড়-সমাধান অযোগ্য নয়। একজন নুসরাত আমাদের সাহস দেয়, সিরাজ বা পরিমল দেখিয়ে দেয় অপরাধীর বিবিধ নৃশংসতা। অন্যদিকে গতকাল পাবলিক হওয়া প্রশ্নের মান আমাদের দেখিয়ে দেয় কতটা অবহেলা আর যথেচ্ছাচারে রবীন্দ্রনাথের পিতার নাম মিয়া খলিফা ভাবতে পারে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান? মানুষ প্রতিবাদ করছে, করবে। মিডিয়ার শিরোনামে আছে থাকবে হয়তো আরো কয়েকটা দিন। তারপর নতুন কোনও ঘটনায় চাপা পরে যাবে এই ঘটনা। এদেশে ‘ভাইরাল’ হবার মতো সত্য বা মিথ্যা ইস্যুর অভাব নাই। এই সংকট সমাধানে পদক্ষেপটা রাষ্ট্রকেই নিতে হবে, সাথে থাকতে হবে নাগরিকের সদিচ্ছা। একমাত্র এভাবেই পুরো সিস্টেমটার জন্য নতুন কিছু ভাবতে বা করতে পারা সম্ভব। করতে পারলেই-আমার নতুন কোনও নুসরাত আর পুড়বে না, নীরবে নিপীড়ন হজম করবে না কোনও সন্তান, অরিত্রির মতো কেউ আত্মহত্যা করবে না। প্রশ্নপত্রে চিনবে না সানি লিওন বা মিয়া খলিফাদের।
- লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
























