প্রকাশিত: ০৬:৪৬, ৪ মে ২০১৯
আপডেট: ০৬:৪৬, ৪ মে ২০১৯
আপডেট: ০৬:৪৬, ৪ মে ২০১৯
ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব পড়ে নি কাঁচাবাজারে
অর্থনীতি: প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে সারাদেশে আতংক বিরাজ করলেও ক্রমশ দুর্বল হয়ে আসছে ফণী! অবশ্য ফণী ইতিমধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করলেও তার কোনো প্রভাব পড়েনি রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে। সব ধরনের সবজি, মাছ ও মাংসের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। শনিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, রামপুরা, মালিবাগ হাজিপাড়া, খিলগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ফণীর কারণে রাজধানীতে সবজি আসার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। যে কারণে শনিবার রাজধানীর বাজারগুলোতে কোনো সবজির দাম বাড়েনি। বরং গতকালের তুলনায় কিছুটা কমেছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম । তারা বলছেন, রাজধানীবাসীর একটি বড় অংশই শুক্রবার বাজার করেন, যে কারণে শুক্রবার ক্রেতাদের চাপ বেশি থাকায় সবজির দাম তুলনামূলক বেশি থাকে। আর শনিবার ক্রেতাদের চাপ কম থাকায় স্বাভাবিকভাবেই সব ধরনের সবজির দাম কিছুটা কমে যায়।
ব্যবসায়ীদের অভিমত, ফণীর কারণে এখানও সবজির দাম না বাড়লেও যদি টানা বৃষ্টি হয় অথবা বন্যা হয় তাহলে সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে যাবে। তাছাড়া গতকাল যে বৃষ্টি হয়েছে তার প্রভাবে দু’একদিনের মধ্যে সবজির দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলেও জানান তারা।
বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে, কাকরোল, করলা ও কচুর লতি। বাজার ও মানভেদে কাঁচা পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, যা গতকাল ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। শুক্রবার ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া করলার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। আর ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কচুর লতি পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।
দাম কমেছে শসা, বেগুন, পাকা টমেটোও। শুক্রবার ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শসার দাম কমে হয়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। বেগুন পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে, যা গতকাল ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। পাকা টমেটো পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজির মধ্যে, যা গতকাল বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি।
অধিকাংশ সবজির দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে পটল, বরবটি, ধুন্দুল, গাজর, ঢেড়স । এর মধ্যে- পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঢেড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মুরগির বাজারেও অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়, লাল লেয়ার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় এবং পাকিস্তানি কক মুরগি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মুরগির পাশাপাশি দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ডিম, গরু-খাসির মাংস ও পেঁয়াজ-মরিচের। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। গরুর মাংস ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ভালোমানের দেশি পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা প্রতিকেজি বিক্রি করছেন ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। আর কাঁচামরিচ ২৫০ গ্রাম বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়।
অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের দামও। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। রুই মাছ ২৮০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং চিতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।
আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
























