ঢাকা, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৮ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:৪৬, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
আপডেট: ১০:৪৮, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রাণহীন দগ্ধ শরীরে ফিরল ৭ বছরের জুবায়ের

নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণের ঘটনায় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি ৩৬ রোগীর মধ্যে সাত বছরের জুবায়ের মারা গেছে।

প্রতিদিনের মতো বাবার সঙ্গে নামাজ পড়তে গিয়েছিল জুবায়ের (৭)। মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তার হাসিমুখে ফেরা হলো না। নিস্তেজ প্রাণহীন শরীরে জুবায়ের ফিরল বাড়িতে।

বিস্ফোরণের পর বাবা-ছেলেক ভর্তি করা হয়েছিল শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুবায়েরের মৃত্যু হয়। তবে তার বাবা জুলহাস এখনও সেখানে ভর্তি আছেন। ইনস্টিটিউটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত জুবায়েরের মা রহিমা বেগম জানান, তাদের বাসা নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লায়। জুবায়েরের বাবা জুলহাস স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে। জুবায়ের এলাকার মডেল একাডেমিতে প্লে-শ্রেণিতে পড়তো। বাবার সঙ্গে সে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিল।

এ তথ্য জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি জানান, ৪০ থেকে ৫০ মিনিট আগে জুবায়ের মারা যায়। তার ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

বার্ন ইউনিটের সহকারী পরিচালক ডা. হুসেইন ইমাম জানান, দগ্ধদের সবারই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। রোগীদের সবরাই শরীরের কমপক্ষে ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘আহত রোগীদের সবারই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জের তল্লা বায়তুল সালাহ জামে মসজিদে এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩৬ জন মুসল্লি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এশার নামাজের সময় এ বিস্ফোরণ ঘটে। তাদের উদ্ধার করে ঢামেকের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। পরে ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘৩৬ জনের মধ্যে বেশির ভাগেরই মেজর বার্ন।

আইনিউজ/এইচকে

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়