নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২০:০৬, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উদযাপিত হবে ‘ওয়ার্ল্ড রিফ্লেক্সোলজি উইক’
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উদযাপিত হবে 'ওয়ার্ল্ড রিফ্লেক্সোলজি উইক'। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ২১ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে সপ্তাহটি উদযাপন করবে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 'হারমনি ট্রাস্ট'।
গত ২০ বছর ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব রিফ্লেক্সোলজিস্টিক্স (আইসআির) এই সপ্তাহ পালন করে আসছে। এই বছরের প্রতিপাদ্য ‘স্ট্রেস ও টেনশন’। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এবার সংক্ষিপ্ত পরিসরে সপ্তাহটি পালিত হবে। পাশাপাশি রিফ্লেক্সোলজি বিষয়ে প্রকাশিত একটি বইয়রে মোড়ক উন্মোচন করা হবে।
অনলাইন ইভেন্টটির লাইভ সম্প্রচার হবে ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭.৩০ টায় হারমিন ট্রাস্ট (https://www.facebook.com/HarmonyTrustBD০) ও আইনিউজের ফেসবুকের (https://www.facebook.com/eyenewsmedia) পেজে। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার আইনিউজ।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগ দিবেন বিএমএ’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব, বিএসএমএইউ এর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালূয়ের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডা. শুভাগত চৌধুরী, আইডিসিআর এর উপদেষ্টা ডা. এম মুশতাক হোসেন, বিশিষ্ট লেখক ও প্রবীণ সাংবাদিক সোহরাব হাসান, সিআইডি-এর ডিআইজি (সাইবার পুলিশ) মো. শাহ আলম, জাবি’র অধ্যাপক ড. আইনুন্নাহার প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে ‘হারমনি ট্রাস্টের’ ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অমিতাভ ভট্টাচার্য আইনিউজকে বলেন, রিফ্লেক্সোলজি রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে ব্যবহৃত একটি সুপ্রাচীন থেরাপি। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত চিরায়ত বা বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর অন্যতম। মূলত হাত ও পায়ের তালুর নির্দিষ্ট কিছু অংশে ভোঁতা কাঠি বা আঙুল দিয়ে চাপ দিয়ে এ থেরাপি করা হয়। রিফ্লেক্সোলজি কাজ করে শরীরের স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে। এ থেরাপিতে কোনো ওষুধ, অস্ত্রোপচার বা যন্ত্রের ব্যবহার ছাড়াই শুধু শরীরের নিজস্ব আরোগ্য প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দূর করা হয়। অনেকে এটাকে আকুপ্রেশার বলে ভুল করতে পারেন। কিন্তু এই দুটি পদ্ধতিতে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রোগীকে সারিয়ে তোলা হয়। তবে এই দুই পদ্ধতির অনেক পার্থক্য রয়েছে।
দেশে রিফ্লেক্সোলজি চর্চার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে অমিতাভ বলেন, বেশ কয়েকটি কারণে প্রচলিত মূলধারার চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি সহায়ক চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে রিফ্লেক্সোলজি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। প্রথমত, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক হওয়ায় এ পদ্ধতির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অন্য যে কোনো চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি এ থেরাপি নেয়া যায়। যে কোনো বয়সের এবং যে কোনো শারীরিক অবস্থায় মানুষ এ থেরাপি নিতে পারে। দ্বিতীয়ত, এ থেরাপি আদৌ ব্যয়বহুল নয়। খুব সহজেই শিখে নিয়ে যে কেউ এটি নিজের ওপর নিজে প্রয়োগ করতে পারেন। তৃতীয়ত, রিফ্লেক্সোলজি ব্যবহার করে খুব সহজেই রোগ লক্ষণ দেখা দেয়ারও আগে নিজেই তার সম্ভাবনা শনাক্ত করে প্রতিরোধ করা সম্ভব। হৃদরোগ ও কিডনির সমস্যার মতো অসংখ্য অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় এ বিষয়টির গুরুত্ব সীমাহীন। এটাও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ এবং সার্বিক চিকিৎসা ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























