ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:২০, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্বদেশেই ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নোয়াখালীর ভাসানচর বসবাসের উপযোগী কিনা তা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ৪০ জনের প্রতিনিধিদল। ভাসানচরের অবকাঠামো নিয়ে প্রতিনিধিরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেও ক্যাম্পে ফিরে তারা শোনাচ্ছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, ভাসানচরে নয় স্বদেশে ফিরে যেতে পারলেই খুশি তারা।

সম্প্রতি দুই নারীসহ রোহিঙ্গাদের ৪০ জনের একটি দল গিয়েছিল নোয়াখালীর ভাসানচরে। তারা দেখেছেন সেখানকার খাদ্য গুদাম, থাকার ঘর, আশ্রয় সেন্টার, মসজিদ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল, খেলার মাঠ ও কবরস্থান। এসব দেখে মুগ্ধ হন তারা।

ভাসানচর থেকে ফিরে এ মুগ্ধতার কথা অন্যান্য রোহিঙ্গাদের জানান তারা। কিন্তু এখন সুর পাল্টে এসব মানুষ অন্য কথা বলছে। তবে সাধারণ রোহিঙ্গারা বেশিরভাগই না যাওয়ার পক্ষে। তারা বলছেন, এখানে জোর করার কোনো সুযোগ নেই কেউ চাইলে স্বেচ্ছায় ভাসানচর যেতে পারে।

এদিকে প্রত্যাবাসন হওয়ার আগ পর্যন্ত যেভাবে হোক রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠানোর দাবি সচেতন নাগরিকদের।

কক্সবাজারের সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়ত হচ্ছে তাই রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে যাবার সরকারি সিদ্ধান্তকে সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানাই।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসুদ্দৌজা বলেন, ভাসানচরে যেতে অনেক রোহিঙ্গা সম্মত হবে বলে আশা করছি। তারা যা দেখে আসছে সব খুলে বলবে তাদের গোষ্ঠীর কাছে।

কমপক্ষে এক লাখ রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচরে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সরকার।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়