ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:২৫, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
আপডেট: ২১:৩৯, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

ব্রুনাইয়ে মানবপাচার চক্রের হোতা হিমু গ্রেফতার

এনএসআই ও র‌্যাব-৩ এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হলেন ব্রুনাইয়ে মানবপাচারকারী চক্রের মূলহোতা মেহেদি হাসান বিজনের অন্যতম সহযোগী শেখ আমিনুর রহমান হিমু।

জানা যায়- শেখ আমিনুর রহমান হিমুকে দীর্ঘদিন যাবত এনএসআই নজরদারি করে আসছিলেন। তিনি সাধারণ মানুষদের ঠকিয়ে অবৈধ পন্থায় বিদেশে লোক পাঠানোর নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এখন পর্যন্ত হিমু প্রায় ৪০০ লোককে অবৈধভাবে ব্রুনাইয়ে পাঠিয়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতারিত লোকজন ব্রুনাইয়ে মানবেতর জীবনযাপন করেন। কাজ না পেয়ে দেশে ফিরে এসেছে।

  • ব্রুনাইয়ে মানবপাচারের মূল হোতা মেহেদী হাসান বিজন ও আবদুল্লাহ আল মামুন অপুর অন্যতম সহযোগী শেখ আমিনুর রহমান হিমু।
  • মঙ্গলবার রাতে আমিনুর রহমান হিমুকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেফতার করা হয়।
  • প্রায় ৪০০ লোককে অবৈধভাবে ব্রুনাইয়ে পাঠিয়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন হিমু।
  • কখনো সংসদ সদস্য পরিচয়, কখনো বা অক্সফোর্ড থেকে ডিগ্রি নেয়া প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পরিচয়।
  • তার কাছ থেকে ২টি লোডেড ম্যাগাজিসহ ৫০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
  • হিমুকে দীর্ঘদিন যাবত এনএসআই নজরদারি করে আসছিলেন।

জানা গেছে- তার এই অবৈধ কাজে সহায়তা করেছে অনেক নামীদামী লোকও। গতকাল মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে আমিনুর রহমান হিমুকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে ২টি লোডেড ম্যাগাজিসহ ৫০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

র‌্যাব-৩ কমান্ডিং অফিসার (সিও) লে.কর্নেল রাকিবুল হাসান বলেন, ব্রুনাইয়ে মানব পাচারের ঘটনায় অসংখ্য ভিকটিম র‌্যাব-৩ কার্যালয়ে অভিযোগ করে। তাদের প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ব্রুনাইয়ে মানব পাচারের মূল হোতা মেহেদী হাসান বিজন ও আবদুল্লাহ আল মামুন অপুর অন্যতম সহযোগী হচ্ছে শেখ আমিনুর রহমান হিমু। তিনি দীর্ঘ দিন দেশের বাইরে ছিলেন। মেহেদী হাসান বিজনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ী সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বিজনের চাহিদানুযায়ী দেশ থেকে অবৈধভাবে ব্রুনাইতে মানবপাচার করতেন তিনি। তাকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত ছিল।

কখনো সংসদ সদস্য পরিচয়, কখনো বা অক্সফোর্ড থেকে ডিগ্রি নেয়া প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী-যিনি নিজের এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য মানুষকে ব্রুনাইয়ে চাকরি দিয়ে থাকেন। এমন অভিনব প্রতারণার মাধ্যমে ৪০০ মানুষের কাছ থেকে ৩ কোটি হাতিয়ে নেন শেখ আমানুর রহমান হিমু।

র‌্যাব ও এনএসআই-এর দাবি- হিমু বাংলাদেশে মানবপাচারকারী চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসান বিজনের অন্যতম সহযোগী।

 

আইনিউজ/এইচকে

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়