ঢাকা, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৯, ২৪ অক্টোবর ২০২০

জোড়া বাছুর উৎপাদনের প্রযুক্তি ‘শিগগিরই মাঠপর্যায়ে’

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সাধারণত গাভি বছরে একটি বাছুরের জন্ম দেয়। তবে ভ্রূণ স্থাপন প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি গাভির গর্ভে থেকে জোড়া বাছুর উৎপাদনে সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ইন্সটিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেবের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা জানায়, বিজ্ঞানীরা আশা করছেন বাংলাদেশে ভালো মানের গাভীর দুটি করে বাচ্চার প্রকল্প মাঠপর্যায়ে সফল হলে সেটি গবাদিপশু এবং এর মাধ্যমে গণমানুষের জীবনমানের আরো উন্নতি করা সম্ভব হবে। 

ড. গৌতম কুমার দেব বলেন, বাংলাদেশে এ প্রযুক্তিটি নতুন। প্রাথমিক সাফল্যের পর আমরা এটি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সফল হলে এটি নিঃসন্দেহে দেশের গরু সম্পদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিটির নাম ইনভিট্রো অ্যামব্রায়ো প্রডাকশন বা আইভিপি। তবে এটিকে কেউ কেউ আইভিএ-ও বলে থাকেন।

তিনি জানান, এতে বেশি দুধ দেয় এমন গাভী থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে নেয়া হয়। সেখানে ডিম্বাণুকে পরিপক্ব করে ফার্টিলাইজ করানো হয়। এর ফলে যে ভ্রূণের জন্ম হয় গবেষণাগারে সেখান থেকে দুটি করে ভ্রূণ ধাত্রী গাভীতে সংস্থাপন করা হয়। এরপর ওই গাভীটি গর্ভধারণ করলেই দুটি করে বাচ্চা বাড়তে থাকবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে সফল হওয়ায় আমরা এখন ভালো মানের এনিমেল বাছাই করছি এবং এসব লাইভ এনিমেল থেকে ডিম্বাণু কালেকশনের কাজ করা হবে। আমরা আশা করছি মাঠ পর্যায়ে এটি সফল হবে এবং পরে তা আমরা ছড়িয়ে দিতে পারব।

তিনি বলছেন, একটি সুস্থ ও ভালো মানের গাভীর ডিম্বাণু দিয়ে অনেকগুলো গাভীর গর্ভধারণ করানো সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ায় বলা হয়েছে যে দেশে গরুর সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। গবাদিপশুর বৈশ্বিক সুচকে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। গত বছর গরু, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল-সব মিলিয়ে গবাদিপশু উৎপাদন বাংলাদেশ তখন বিশ্বে বারোতম অবস্থানে ছিল।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়