ঢাকা, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:২৪, ২৬ অক্টোবর ২০২০

বিজয়ার শোভাযাত্রা ছাড়াই শেষ হচ্ছে দুর্গাপূজা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আজ বিজয়া দশমীর পূজার মধ্যদিয়ে শেষ হচ্ছে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে বিগত বছরের মতো এবার বিজয়ার শোভাযাত্রা হবে না।

এছাড়া এবার মন্দিরে আলোকসজ্জা, কোনো সাংস্কৃতিক উৎসব ও আরতি হবে না। প্রসাদ বিতরণও করা হবে না। বিজয়া দশমী উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন।

সকাল ৯টা ৫৭ মিনিট থেকে দশমী বিহিত পূজার লগ্ন শুরু হয়। পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জনের মধ্যদিয়ে পূজার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। এরপর রাজধানীর বিভিন্ন মন্দির থেকে তাদের সুবিধামতো সময়ে বুড়িগঙ্গা বা নিকটবর্তী কোনো জলাধারে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চণ্ডীপাঠ, বোধন এবং দেবীর অধিবাসের মধ্যদিয়ে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুরু হয়।

এবার দেবী এসেছেন দোলায়, যাবেন গজে চড়ে। এর মধ্যদিয়ে দেবী মর্ত্য ছেড়ে স্বর্গে ফিরবেন। গজে বিদায়ের তাৎপর্য হলো ‘শস্যপূর্ণ বসুন্ধরা’, অর্থাৎ ফলে-ফসলে সমৃদ্ধ হবে দেশ।

সারাদেশে এবার ৩০ হাজার ২১৩টি পূজা হয়েছে। গত বছর ৩১ হাজার ৩৯৮টি পূজা হয়েছিল। এবার ঢাকা মহানগরে পূজা হয়েছে ২৩২টি। করোনা মহামারির কারণে দুর্গোৎসবকে শুধু ‘দুর্গাপূজা’ হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।

এর আগে বেশকিছু বিধিনিষেধও প্রদান করা হয়। মণ্ডপে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি সীমিত করা ও সন্ধ্যায় আরতির পরই বন্ধ করে দেয়া হয় পূজামণ্ডপ। ছিল না সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধুনুচি নাচের প্রতিযোগিতা। জনসমাগমের কারণে স্বাস্থ্যবিধি যাতে ভঙ্গ না হয় সেদিকে খেয়াল রেখেই প্রসাদ বিতরণ ও বিজয়া দশমীর শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়। পূজার সময় বেশিরভাগ ভক্ত এবার ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অঞ্জলি নিয়েছেন।

পুরাণ মতে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ৯ রাত যুদ্ধের পর দশম দিনে জয়ী হন দেবী দুর্গা। এজন্যই বিজয়া। সেই লোকাচার বাংলার ঘরে ঘরে সিঁদুর খেলা হিসেবে পরিণত হয়েছে। সিঁদুর খেলার পাশাপাশি চলে কোলাকুলিও। তবে করোনা মহামারির কারণে এবার কোলাকুলি হবে না।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়