ঢাকা, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:৪৬, ২৬ অক্টোবর ২০২০

হাজী সেলিমপুত্রকে এখনো গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি: র‌্যাব

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেছেন, সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের পুত্র ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে সাময়িকভাবে র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের এখনো গ্রেফতার দেখানো হয়নি।

আজ (সোমবার) বিকেলে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আশিক বিল্লাহ বলেন, কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ইরফান সেলিমের বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।  

‘গতকালের ঘটনা নয়, মোহাম্মদ ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। ভেতরে র‌্যাবের অভিযানিক দল কাজ করছেন। এই বাড়িটি র‌্যাব ঘিরে রেখেছে। এখানে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‌্যাবের গোয়েন্দা ইউনিট, র‌্যাব-৩ ও ১০ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা রয়েছেন। ’

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে র‌্যাব হেফাজতে নিয়েছি। তাদের এখনো গ্রেফতার দেখানো হয়নি। সাধারণত কোনো বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে রাখতে হয়। সে কারণে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটও উপস্থিত রয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট র‌্যাবের অভিযানে সহযোগিতা করেন।

ভেতরে কিছু পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো র‌্যাবের অভিযান চলছে।  অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে র‌্যাবের একটি দল হাজী সেলিমের ছেলেকে গ্রেফতার করতে তার বাসা চাঁন সরদার দাদার বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে।  

এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিম নিজেই বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ইরফান সেলিমসহ চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই গাড়িচালককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনই মেরে ফেলবো’। এরপর বের হয়ে ওয়াসিমকে কিল-ঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়