নিজস্ব প্রতিবেদক
ঘটনার সময় মাতাল ছিলেন ইরফান সেলিম
ফাইল ছবি
দেহরক্ষীদের সঙ্গে নিয়মিত মদ পান করেন এমপি হাজী সেলিমের মেজ ছেলে ইরফান সেলিম। ঘটনার দিন নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খানকে যখন মারধর করা হয় তখনো তিনি মাদক সেবন করেছিলেন। মদ খেয়ে মাতাল অবস্থাতেই মারধর করেন তিনি।
র্যাব বলছে, ঘটনার পর বাসায় ফিরে নিজের ভুল বুঝতে পারেন ইরফান। এই মারধরের পরিণাম ভালো হবে না ভেবে আবার দাদা বাড়ির চারতালায় নিজের বারে ঢুকে সারারাত মদ পান করেন। অভিযান শুরু হলে র্যাবকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। নিজের মদ পানের কথাও স্বীকার করেন। অভিযান চলাকালে তার ডোপ টেস্ট করে র্যাব। সেটার রেজাল্টও পজিটিভ আসে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ৭০ জনের বেশি সদস্যের এক শক্তিশালী গ্যাং রয়েছে এমপি হাজী সেলিমের মেজ ছেলে ইরফান সেলিমের। ওয়াকিটকির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান যোগাযোগ রক্ষা করতেন ইরফান। নিজের চলাফেরার জন্য সব সময় পাশে রাখতেন ১২ জন দেহরক্ষী।
অধিকাংশ দেহরক্ষীরই অবৈধ অস্ত্র আছে। ব্যবহারের চেয়ে ভয়-ভীতি দেখানোর কাজে ব্যবহার করা হতো এসব অস্ত্র। এই অস্ত্রগুলো অবৈধ পথে বিদেশ থেকে নিয়ে আসা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তার দেহরক্ষী জাহিদুলের কাছ থেকে এমনই একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেছে র্যাব।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ইরফান সেলিমসহ তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলাম, গাড়িচালক মিজানুর রহমান, প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু ও অজ্ঞাতনামা তিন জনসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী লেফট্যানেন্ট ওয়াসিম আহমদ খান।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























