ঢাকা, রোববার ৩০ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৫ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৩২, ২৩ নভেম্বর ২০২০

‘ভ্যাকসিন না পেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা কঠিন’

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। সাথে বাড়ছে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। করোনার প্রভাবে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনেক দিন ধরেই বন্ধ।

এখন পর্যন্ত করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয় নি। যদিও অনেক দেশই তাদের ভ্যাকসিনকে ভাইরাস  প্রতিরোধকারী বলে দাবি করছে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও অনুমোদন দেয় নি সেই সকল দেশকে। 

এদিকে করোনাবিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি বলছে, শিক্ষার্থীরা ভ্যাকসিন না পেলে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ খোলা কঠিন হবে। ১৮ বছরের বেশি শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করারও পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

রোববার রাতে করোনাবিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এর আগে, জাতীয় পরামর্শক কমিটির ২২তম সভায় এ বিষয়ে মতামত জানিয়ে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এতে কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন।

এদিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, সরকার এরই মধ্যে অক্সফোর্ড এবং অ্যাস্ট্রাজেনিকার তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কেনার জন্য ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করেছে। এজন্য অর্থও বরাদ্দ করেছে সরকার।

এতে আরো বলা হয়, দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ও ষাটোর্ধ্ব নাগরিক, চিকিৎসক, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ ফ্রন্টলাইনের কর্মীদের ভ্যাকসিন দেয়ার বিষয়ে সরকার ফোকাস করছে।

১৮ বছরের বেশি বয়স্ক শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেয়ার পক্ষে মত দিয়ে জাতীয় পরামর্শক কমিটি জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন বিতরণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। এ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যু হয়। ১৭ মার্চ থেকে সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম এরই মধ্যে চালু করা হয়েছে। স্কুলপর্যায়ে অ্যাসাইনমেন্ট দিয়েও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগী করার চেষ্টা চলছে।

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়