ঢাকা, রোববার ৩০ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৫ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১০:১২, ২৬ নভেম্বর ২০২০

বাংলাদেশ দেখা হলো না ম্যারাডোনার

ফুটবলের ঈশ্বর ম্যারাডোনা

ফুটবলের ঈশ্বর ম্যারাডোনা

সেই ১৯৯৪ সালে আয়োজিত বিশ্বকাপ ফুটবলের ঘটনা। বিশ্বকাপের মাঝে কোনো একটি কারণে মাঝপথেই শেষ হয় যায় ম্যারাডোনার খেলা। ম্যারাডোনার এই না খেলার খবর এসে পৌঁছেছে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমিদের কাছেও। তখনকার সময়ে ম্যারাডোনার জনপ্রিয়তা বাংলাদেশেও ব্যাপক ছিলো। ম্যারাডোনা বিশ্বকাপে আর খেলবে না জানতে পেরে অনেক বাংলাদেশি ভক্ত সেবার চোখের পানি ঝরিয়েছিলেন।

বাংলাদেশি ভক্তদের কান্নার এই সংবাদ পরবর্তীতে জেনেছিলেন ম্যারাডোনাও। উচ্চারণের কষ্টের আড়ালে সেদিন ম্যারাডোনা সেদিন শুধু বলেছিলেন, ‘ও, বাআআআংলাদেশ! হুম হুম হুম।’

তারপর বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আসার সম্মতিও দিয়েছিলেন এই ফুটবলের ঈশ্বর। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার আগমনের যাবতীয় আয়োজনের ব্যবস্থাও নিচ্ছিল।

বাংলাদেশে ম্যারাডোনার আসা প্রসঙ্গে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে বাফুফে প্রধান সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে আসতে আমরা যে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, তাতে সম্মতি দিয়েছেন ম্যারাডোনা। যেহেতু উদযাপনের অংশ হিসেবে নানা রকমের আয়োজন থাকছে, তাই কবে-কখন তিনি আসবেন তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।’

বাংলাদেশের কোটি ভক্তের ভালোবাসা পেলেও তাদের দেখতে পারেননি ম্যারাডোনা। মুজিব বর্ষের শুরুতেই দেখা দেয় বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। যার কারণে মুজিব বর্ষের যাবতীয় অনুষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 

ফলে বাংলাদেশে আর আসা হলো না ফুটবল কিংবদন্তীর। আর নিজেই আজ সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তবে বাংলাদেশের মানুষ তাকে ভালোবেসে যাবে।

এছাড়া বাংলাদেশের একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন ‘সময় পেলে বাংলাদেশের যাব।’ কিন্তু বাংলাদেশে আর আসা হলো না এই ফুটবল ঈশ্বরের। বাংলাদেশের ভক্তদের না দেখার আফসোস নিয়েই চলে গেলেন ওপারে। ফুটবল মাঠের বাদশা হার মানলেন মৃত্যুর কাছে। বাংলাদেশের মানুষের মনে তার জন্য ভালোবাসা বেঁচে থাকবে থাকবে বহুদিন।

আইনিউজ/এইচএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়