ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২১

‘দুই সপ্তাহের পূর্ণ লকডাউন ছাড়া করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়’

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দেশে যে হারে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে তা দুই সপ্তাহের পূর্ণ লকডাউন ছাড়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিটি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে জারিকৃত বিধিনিষেধ সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। সংক্রমণের হার বাড়ছে। বিধিনিষেধ আরও শক্তভাবে অনুসরণ করা দরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন ছাড়া এটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না বলে সভায় মতামত ব্যক্ত করা হয়। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন ও মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় পূর্ণ লকডাউন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

গত বুধবার অনুষ্ঠিত কমিটির ৩০তম সভায় বলা হয়, সরকারি পর্যায়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাসপাতালের রোগী ভর্তির বাড়তি চাপ থাকায় অতি দ্রুত আরও সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

একই সাথে বিদেশগামী যাত্রী ও বিদেশে অভিবাসী কর্মজীবীদের পরীক্ষা বেসরকারি পরীক্ষাগারে পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

টিকা দেওয়ার কার্যক্রম যুক্তরাজ্যে ফলপ্রসূ হয়েছে। বাংলাদেশেও টিকা কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে বেসরকারিভাবে আমদানি করে টিকাদানের পুনরায় সুপারিশ হয় সভায়।

করোনার সংক্রমণ রোধে সাতদিনের লকডাউন চলছে। কিন্তু এই লকডাউনও করোনার সংক্রমণ রোধ করা যাচ্ছে না। তাই আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, দেশে করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে জরুরি সেবা ছাড়া সবধরনের অফিস, কল-কারখানা, যানবাহনসহ সবকিছু বন্ধ রাখা হবে। এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সাতদিনের লকডাউনে কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন, চলমান এক সপ্তাহের লকডাউনে জনগণের উদাসীন মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয় না। তাই করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। এমতাবস্থায় সরকার আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের বিষয়ে সক্রিয় চিন্তা ভাবনা করছে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়