ঢাকা, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:৪৩, ২২ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ২২:৪৩, ২২ এপ্রিল ২০২১

চিকিৎসকের সাথে বাক-বিতণ্ডায় জড়ানো সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে বদলি

ডাক্তার-ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশ বাক-বিতণ্ডা

ডাক্তার-ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশ বাক-বিতণ্ডা

সম্প্রতি রাজধানীতে আইডি কার্ড দেখতে চাওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের সাথে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এক নারী চিকিৎসক। এ ঘটনায় পক্ষে বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এবার বাক-বিতণ্ডায় জড়ানো সেই সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদকে বদলি করা হয়েছে। 

ঢাকা জেলা প্রশাকের কার্যালয় থেকে তাকে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আনিছুর রহমান মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত রোববারের ঘটা সেই ঘটনায় চিকিৎসক ও পুলিশের দুই সংগঠনের পাল্টাপাল্টি বিবৃতিও প্রকাশ করে। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে উচ্চ আদালতও

উল্লেখ্য, পুলিশের সাথে তর্কে জড়ানো সেই নারী হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইবা শওকত জিমি। ঢাকা জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার শেখ মো. মামুনুর রশিদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় ছিলেন। এসময় তার সাথে ছিলেন নিউ মার্কেট থানার একজন পরিদর্শক ও একাধিক পুলিশ সদস্য।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের চেক পোস্টে পুলিশ সদস্যরা চিকিৎসকের কাছে তার আইডি কার্ড দেখতে চান। সঙ্গে আইডি কার্ড আনেননি বলে জানান চিকিৎসক জিমি। এরপর তার কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাওয়া হয়। এ সময় জিমি কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। জিজ্ঞাসা করেন, ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস লাগে?

পরে উত্তেজিত হয়ে উঠেন তিনি। পুলিশের কাছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেন তিনি। বলেন, ‘আমি বীর বিক্রমের মেয়ে। আমার বাবা যুদ্ধ করেছিল বলেই তোমরা পুলিশ হয়েছ।’

এই কথার উত্তর দেন ম্যাজিস্ট্রেট, ‘আমরাও ভেসে আসিনি। আমিও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আপনার বাবা একা যুদ্ধ করে নাই।’

এতেই রেগে যান ওই চিকিৎসক। এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের গালিগালাজ করতে থাকেন। হুমকি দেন চাকরি হারানোর। সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালও হয়।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়