ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:০৭, ২৩ মে ২০২১
আপডেট: ২১:৪৬, ২৩ মে ২০২১

ছেলের সামনে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা: আসামি মনির ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

রাজধানীতে জমি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে প্রকাশ্যে সন্তানের সামনে সাহিনুদ্দিনকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনায় দায়ের হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৬ নম্বর আসামি মো. মনির বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৩ মে) সকালে গোয়েন্দা মিরপুর জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাত আড়াইটার দিকে পল্লবীর সাগুফতা হাউজিং এলাকায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগের একটি জোনাল টিমের সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে গুরুতর আহত হয় মো. মনির। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের দুজন সদস্য আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নিহত মনির পল্লবীর চাঞ্চল্যকর শাহীন উদ্দিন হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামি। হত্যাকাণ্ডের সে সরাসরি জড়িত ছিল।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) রাতে পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন এই মামলার আরেক আসামি মো. মানিক।....বিস্তারিত

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে জমির বিরোধের মীমাংসার কথা বলে সাহিনুদ্দিনকে পল্লবী থানার ডি-ব্লকের একটি গ্যারেজের ভেতর নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা আকলিমা বেগমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৭ মে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা হয়।

মামলার প্রধান আসামি লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক এমপি ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল। অন্য আসামিরা হলেন- ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সুমন, মো. আবু তাহের, মুরাদ, মানিক, মনির, শফিক, টিটু, কামরুল, কিবরিয়া, দিপু, আবদুর রাজ্জাক, মরন আলী, লিটন, আবুল, বাইট্যা বাবু, বড় শফিক, কালু ওরফে কালা বাবু, নাটা সুমন ও ইয়াবা বাবু। আসামিরা সবাই পল্লবী থানা এলাকার বাসিন্দা।

পরে বৃহস্পতিবার (২০ মে) সকালে ভৈরব এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক এমপি আউয়ালসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।....বিস্তারিত

এদিন বিকেলে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানান।....বিস্তারিত

সাহিনুদ্দিনকে হত্যার নির্মম দৃশ্য ধরা পড়ে পাশের একটি ক্যামেরায়। এতে দেখা যায়- দুই তরুণ দুই পাশ থেকে সাহিনুদ্দিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাচ্ছেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর হামলাকারী একজন চলে যান। অপরজন সাহিনুদ্দিনের ঘাড়ে কোপাতে থাকেন মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত।

রাজধানীর পল্লবীর ডি–ব্লকের ৩১ নম্বর রোডে সংগঠিত ওই ঘটনার ৩১ সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজে যে দুজন হামলাকারীকে দেখা গেছে, তারা হলেন বন্দুকযুদ্ধে নিহত মানিক ও মনির।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়