ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:০১, ৩১ মে ২০২১
আপডেট: ২৩:৩৭, ৩১ মে ২০২১

ডা. সাবিরাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, দাবি মামার

গ্রিন লাইফ হাসপাতালের রেডিওলোজি বিভাগের চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান লিপিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার মামা হারুন অর রশীদ মৃধা।

সোমবার (৩১ মে) বিকেলে কলাবাগানের ৫০/১ ফাস্ট লেনে সাবিরার বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ অভিযোগ করেন তার মামা। এর আগে সোমবার দুপুরে সাবিরার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

হারুন অর রশীদ মৃধা বলেন, ‘লিপির রুমে আগুনের চিত্র থাকলেও এটি সাজানো ঘটনা। যাতে মানুষ মনে করে যে, আগুনে মারা গেছে। কিন্তু এটা সত্য নয়। লিপির ঘাড়ে ও পেছনে কোপের দাগ। এটি পরিকল্পিত হত্যা।’

হারুন অর রশীদ মৃধা বলেন, ‘আজ সকালে ফোনে জানতে পারি আমার ভাগনি কাজী সাবিরা রহমান লিপি মারা গেছে। এরপর এই বাসায় এসে দেখি লিপির রুমে ছাই পড়ে আছে। এটি সাজিয়ে রাখা হয়েছে যাতে করে মানুষ বোঝে সে আগুনে মারা গেছে। কিন্তু এটা সত্য নয়।’

আরও পড়ুন: কলাবাগানে নারী চিকিৎসকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

তিনি আরও জানান, আমার ভাগনি নিহত কাজী সাবিরা রহমান লিপিরা তিন ভাই-বোন। দুই ভাই আছে অস্ট্রেলিয়াতে। চট্টগ্রাম থেকে ডাক্তারি পাস করার পর ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছে। এখন গ্রিন লাইফ হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিল লিপি।

মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সূত্রে জানা যায়,ডা. সাবিরা ৫০/১ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। তিনি ফ্ল্যাটের দু’টি রুম অন্য একজনকে সাবলেট দিয়েছেন। 

আরও পড়ুন: চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার: পিঠে-গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত

এ বিষয়ে তার মামা বলেন, ‘লিপির সঙ্গে একটি মেয়ে সাবলেট থাকত বলে জানি। মেয়েটি লেখাপড়া করে। লিপির মায়ের বাসা পাশেই। ছেলে-মেয়ে দুটি ওই বাসাতেই থাকত। ছেলের বয়স ২১। ছেলেটি কানাডা যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আর মেয়ের বয়স ১০ বছর। মেয়েটি কলাবাগানের একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে।’

পারিবারিকভাবে কলহের কোনো ঘটনা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার জানা মতে তার পরিবারে কোনো কলহ ছিল না।’

প্রশাসনের বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের আসল সত্য উদঘাটিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ওই বাসা থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়