আইনিউজ ডেস্ক
আপডেট: ১১:৫২, ১৭ মার্চ ২০২২
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
আজ বঙ্গবন্ধুর ১০২ তম জন্মদিন
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিত্বকে হিমালয় পর্বতমালার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, আই হ্যাভ নট সিন দ্য হিমালয়েজ। বাট আই হ্যাভ সিন শেখ মুজিব।
আজ ১৭ মার্চ, ২০২২ (বৃহস্পতিবার) সারাদেশে একযোগে পালিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু।
প্রায় দুইশ’ বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ থেকে স্বাধীনতার জন্য উত্তাল ভারতে জন্ম নেন শেখ মুজিব। তাই ছোটবেলা থেকেই খুব নিকট থেকেই মানুষের দুঃখ-দূর্দশা দেখার সুযোগ পান। পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পান দেশের অস্থিতিশীল রাজনীতি।
চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তৃতীয় সন্তান। পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সায়রা খাতুনের মমতায় পরিবারে বড় হতে থাকেন তিনি। শেখ পরিবারের আদরের ‘খোকা’ যেন বড় হতে থাকেন বাঙালির ‘মুজিব ভাই’ এবং ‘বঙ্গবন্ধু’ হওয়ার জন্যেই। তার হাত ধরেই আসে বাঙালির স্বাধীনতা, জন্ম নেয় বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীটি জাতীয় শিশু দিবসও। দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
তিনি ১৯৪৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগের পূর্ব পাকিস্তান শাখার যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের টিকেটে ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির সদস্য নির্বাচিত হন।
তারপর ধীরে ধীরে ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬-দফা ও পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধীকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেন।
'৭০ এর নির্বাচনে জয়ের পরেও ক্ষমতায় বসতে দেওয়া হয়নি তাকে। যদিও বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ তাকেই সরকার প্রধান হিসেবে মেনে নেয়। তারপর আর দেরী নয়। '৭১ এ জনতার কবি মঞ্চে উঠে দাঁড়ান। শ্রোতাদের শোনান এমন এক সাহিত্য যা এনে দেয় এক টুকরো সোনার ভূখন্ড।
জনতার কবি
১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউজউইক পত্রিকা শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করে। ১৯৭৩ খৃষ্টাব্দে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো একই সালে জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিত্বকে হিমালয় পর্বতমালার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘আই হ্যাভ নট সিন দ্য হিমালয়েজ। বাট আই হ্যাভ সিন শেখ মুজিব।
২০০৪ সালের বিবিসি বাংলা সারা বিশ্বে জরিপ চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে নির্বাচিত করে। ২০১৯ সালের ১৬ আগস্ট জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্হায়ী মিশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে কূটনীতিকেরা তাকে ‘ফ্রেন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ আখ্যা দেয়।
আজ এই মহান ব্যক্তিত্বের ১০২ তম জন্মদিনে আই নিউজ পরিবার তাঁকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।
আইনিউজ/এমজিএম
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক

























