ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩২, ৮ অক্টোবর ২০২০
আপডেট: ২২:৩২, ৮ অক্টোবর ২০২০

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর লোকসানি শাখা কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর লোকসানি শাখা কমাতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নানা অনিয়ম অব্যবস্থাপনায় চলছে সরকারি ব্যাংকগুলো। যাচাই-বাছাই ছাড়াই দিচ্ছে ঋণ, যা আদায় হচ্ছে না। চলছে জাল-জালিয়াতি অর্থপাচার এবং আত্মসাতের ঘটনাও। ফলে বাড়ছে খেলাপি ঋণ, কমছে না লোকসানি শাখা। এতে করে ক্রমশই নাজুক পরিস্থিতিতে পড়ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো লোকসানি শাখার সংখ্যা ২২৩টি। বছরের পরবছর লোকসানের বোঝা টানতে থাকা এ শাখাগুলো কমানোর কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ, মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি কমাতেও বিশেষ নজর দিতে বলেছে ব্যাংক খাতের এই নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে বাৎসরিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরকালে এসব নির্দেশ দেন গভর্নর ফজলে কবির।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান ও আহমেদ জামাল। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধান, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়দুল্লাহ আল মাসুদ, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুছ ছালাম আজাদ এবং অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস-উল ইসলামসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাসুদ বিশ্বাস, হুমায়ুন কবির, আবু ফরাহ মো. নাসের, লিলা রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা মোট ৫০টি, জনতা ব্যাংকের ৭৯টি, অগ্রণী ব্যাংকের ৭৮টি ও রূপালী ব্যাংকের ১৬টি। সব মিলিয়ে চার ব্যাংকের মোট লোকসানি শাখা ২২৩টি। দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা এসব শাখাকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন গভর্নর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেয়া ঋণ আদায়ের অব্যাহতি সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলাপি আদায়ের প্রক্রিয়া জোরদার এবং নতুন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়