ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৭ ১৪৩৩

আইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২৪, ১২ অক্টোবর ২০২০

দুই ধরনের পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিল ভারত

দুই ধরনের পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

গত শুক্রবার দেশটির কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য দপ্তর (ডিজিএফটি) জারি করা নোটিফিকেশনে পেঁয়াজ রপ্তানির ব্যাপারে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। গতকাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বাসস।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভারতীয় রপ্তানিকারকরা এখন দুই ধরনের পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবেন। এই দুই ধরনের পেঁয়াজের মধ্যে বেঙ্গালুরুতে উৎপাদিত রোজ লাইন পেঁয়াজ ও অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপূরম জাতের পেঁয়াজ নির্দিষ্ট পরিমাণে রপ্তানি করা যাবে। তবে এর জন্য কর্ণাটক সরকারের উদ্যান উন্নয়ন কমিশনারের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে রপ্তানিকারকদের। একইভাবে কৃষ্ণপূরম জাতের পেঁয়াজ রপ্তানির জন্যও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের কাদাপার সহকারী পরিচালক উদ্যান উন্নয়নের কাছ থেকে পরিমাণগত সনদ নেওয়ার ভিত্তিতে রপ্তানি করতে হবে।

নোটিফিকেশন অনুযায়ী, সরকারি কোটায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করার অনুমতি দেবে সরকার। এর মেয়াদ থাকবে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। তবে তার আগে রপ্তানিকারকদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধন তথা চাহিদা জানিয়ে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া এখন থেকে একমাত্র চেন্নাই বন্দর দিয়ে এই পেঁয়াজ রপ্তানি করতে হবে বলে সরকারি ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপূরম পেঁয়াজ রপ্তানির ক্ষেত্রেও ঠিক একই পদ্ধতি বলবৎ থাকবে বলে নোটিফিকেশনে জানানো হয়েছে।

পেঁয়াজের এই নেওয়া নোটিফিকেশনের ব্যাপারে পেট্রাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ স¤পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বাসসকে জানান, সরকারি এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রপ্তানি এজেন্ট কতটা আগ্রহ দেখাবে, সেটাই দেখার বিষয়। কারণ এর আগে ভারতের অনেকগুলো বন্দর থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি করা হতো। এখন শুধু একটি বন্দর তথা চেন্নাই বন্দর থেকে রপ্তানি করার কারণে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, বলেন তিনি।

এ ব্যাপারে কেদ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘কৃষকদের ক্ষমতায়ন এবং তাদের ফসলের সঠিক মূল্যপ্রাপ্তির জন্যই সরকার বেঙ্গালুরুর রোজ লাইন পেঁয়াজ ও অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপূরম জাতীয় পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টন রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে।’

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়