ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:১৫, ১৪ অক্টোবর ২০২০

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

রোহিঙ্গা সংকট উত্তরণে তুরস্কের ভূমিকা প্রশংসনীয়

ছবি: পিআইডি

ছবি: পিআইডি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, তুরস্ক বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে এবং যেকোনো দুর্যোগে তুরস্ককে পাশে পেয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকট উত্তরণে তুরস্কের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানের সঙ্গে বুধবার ঢাকায় তার মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। এ সময় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্য হলেন টিকা’র (TIKA) প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ইসমাইল গুনদকদু।

কক্সবাজারে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের হাসপাতালটির কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছর আমি নিজে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছি। রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য সেবায় হাসপাতালটি সুনামের সহিত কাজ করছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে সরকারের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো তাদের নিজ দেশ মায়ানমারে প্রত্যাবর্তন বা ফেরত পাঠানো।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এদেশের প্রতিটি গৃহহীন পরিবার যাতে দুর্যোগ সহনীয় ঘর পায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ভূমিহীন পরিবারকে জমি প্রদান পূর্বক সেখানে দুর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরি করে দেবে সরকার। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ খরচ হবে এক লাখ ৭১ হাজার টাক। বর্তমান অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সারা দেশে ১৭ হাজার পাঁচটি ঘর তৈরি করে দিবে।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সাফল্যের প্রশংসা করেন। এ দেশের উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন। বিশেষ করে গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরির ক্ষেত্রে তারা সরকারকে সহযোগিতা করতে চায় বলে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে বলে প্রতিনিধিদল আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন উপস্থিত ছিলেন।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়