নিজস্ব প্রতিবেদক
চেক প্রতারণার মামলার বিচার হবে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে
ফাইল ছবি
এখন থেকে শুধু যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট (এনআই) অ্যাক্ট ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারার অধীনে চেক প্রতারণার মামলার বিচার হবে। আর আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আপিল করা যাবে।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ (রবিবার) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
একইসঙ্গে যেসব মামলা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে তা ১৫ দিনের মধ্যে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে।
আদালতের এই নির্দেশনা দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ আদালতকে অবহিত করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার, ব্যারিস্টার মাজেদুল কাদের ও ব্যারিস্টার মোজাম্মেল হক।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার এএএম জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করে ইসলামী ব্যাংক। মামলা তিনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। ওই তিন মামলার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর রিট আবেদন করেন ওই ব্যক্তি।
এ রিট আবেদনের শুনানি শেষে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।
রায় সম্পর্কে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব জানান, বর্তমান এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ নম্বর ধারার অধীনে চেক প্রতারণার মামলার শুনানি হয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে। কোন আদালতে শুনানি হবে তা নির্ধারণ করে দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। যুগ্ম জেলা জজ আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে। আর অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কিংবা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আদেশ ও রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে হাইকোর্টে। ফলে এ ধরনের মামলা নিয়ে বিচারিক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, তাই একটি নির্দিষ্ট আদালতে চেক ডিজঅনারের মামলার শুনানি এবং একটি নির্দিষ্ট আদালতে আপিল দাখিল হওয়া প্রয়োজন। এজন্য সেসব নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সে রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেছেন। হাইকোর্ট এই রায়ের ফলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে। আবার বিচারিক বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























