নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ০১:৩০, ২২ অক্টোবর ২০২০
দৈনিক সংগ্রামের প্রধান প্রতিবেদক রুহুল আমিন গাজী গ্রেফতার
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীকে মগবাজারে জামাত-শিবিরপন্থি পত্রিকা দৈনিক সংগ্রাম অফিস থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় দৈনিক সংগ্রামের প্রধান প্রতিবেদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। সেই পরোয়ানা পেয়ে বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রুহুল আমীন গাজীকে গ্রেফতার করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।
দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক আবুল আসাদ ও প্রধান প্রতিবেদক রুহুল আমীন গাজীসহ আট জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহের ওই মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, রুহুল আমীন গাজীর বিরুদ্ধে আদালত থেকে একটি পরোয়ানা আসে। সেই পরোয়ানা অনুযায়ী রুহুল আমীন গাজীকে মগবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেঁজগাও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুনুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, রুহুল আমিন গাজীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর আফজাল হোসেন নামে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ ও প্রধান প্রতিবেদক রুহুল আমিন গাজীসহ আট জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। ওই দিন রাতেই আবুল আসাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এজাহারে অভিযোগে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি হয় ২০১৩ সালে। তখন কাদের মোল্লাকে ‘কসাই কাদের’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। দেশের সর্বোচ্চ আদালত কাদের মোল্লাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। কিন্তু রাজাকার অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির দোসররা দেশের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছেন।
অভিযোগে বলা হয়, এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ডিসেম্বর দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘শহীদ আবদুল কাদের মোল্লার ষষ্ঠ শাহাদতবার্ষিকী আজ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। ওই প্রতিবেদনে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দেওয়া হয়। আসামি আবুল আসাদসহ অন্য আসামিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্যক্তিদের খেপিয়ে তোলার জন্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাত আনার জন্যই এমন মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য এ ধরনের উসকানিমূলক সংবাদ পরিবেশন করেন এই আসামিসহ অন্যরা। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য আসামিরা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছেন। এই আসামিসহ অন্য আসামিরা রাষ্ট্রদ্রোহী সংঘবদ্ধচক্রের সহায়তায় এই ধরনের উসকানিমূলক তথ্য প্রচারসহ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানকে অস্বীকার করেন।
কাদের মোল্লাকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য মন্ত্রণালয় দৈনিক সংগ্রামের ডিএফপি বাতিল করে। তবে ডিক্লারেশন বহাল থাকায় এখনো পত্রিকাটি প্রতিদিন বের হচ্ছে।
আইনিউজ/এইচকে
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























