ঢাকা, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:২৩, ২২ অক্টোবর ২০২০

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাংবাদিক রুহুল আমিন কারাগারে

রুহুল আমিন গাজী

রুহুল আমিন গাজী

রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় দৈনিক সংগ্রামের প্রধান প্রতিবেদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সেইসঙ্গে কারাবিধি অনুযায়ী তার চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল চারটার দিকে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী এ আদেশ দেন।

এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান এ জামিনের বিরোধিতা করেন। বিচারক শুনানি তার জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন।

এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রুহুল আমীন গাজীকে মগবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। ২০১৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর আফজাল হোসেন নামে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ ও প্রধান প্রতিবেদক রুহুল আমিন গাজীসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। ওই দিন রাতেই আবুল আসাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

অভিযোগে থেকে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত আবদুল কাদের মোল্লার ২০১৩ সালে ফাঁসি হয়। তখন কাদের মোল্লাকে ‘কসাই কাদের’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। দেশের সর্বোচ্চ আদালত কাদের মোল্লাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। কিন্তু রাজাকার অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির দোসররা দেশের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ডিসেম্বর দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘শহীদ আবদুল কাদের মোল্লার ষষ্ঠ শাহাদতবার্ষিকী আজ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। ওই প্রতিবেদনে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দেওয়া হয়।

আসামি আবুল আসাদসহ অন্য আসামিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্যক্তিদের খেপিয়ে তোলার জন্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাত আনার জন্যই এমন মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য এ ধরনের উসকানিমূলক সংবাদ পরিবেশন করেন এই আসামিসহ অন্যরা। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য আসামিরা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছেন। এই আসামিসহ অন্য আসামিরা রাষ্ট্রদ্রোহী সংঘবদ্ধচক্রের সহায়তায় এই ধরনের উসকানিমূলক তথ্য প্রচারসহ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানকে অস্বীকার করেন।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়