ঢাকা, রোববার   ১৮ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৫ ১৪২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:০২, ৫ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ০০:১৩, ৭ এপ্রিল ২০২১

মামুনুল হক আমাদের পরিবার ধ্বংস করেছে: ঝর্নার ছেলে

রয়্যাল রিসোর্টে মামুনুল ও ঝর্ণা (বাঁয়ে), ভিডিও বার্তায় জামি।

রয়্যাল রিসোর্টে মামুনুল ও ঝর্ণা (বাঁয়ে), ভিডিও বার্তায় জামি।

ঝর্নার বড় ছেলে আব্দুর রহমান জামির একটি ভিডিওবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কিশোর জামির অভিযোগ, মামুনুল হকের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্ব বোধ নেই। তিনি নিজের অসৎ উদ্দেশ্য পূরণ করতে জামির বাবা শহিদুল ইসলাম ও মা জান্নাত আরা ঝর্নার মধ্যে পরিকল্পিতভাবে দূরত্ব তৈরি করেন। 

হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হক রিসোর্টে এক নারীর সাথে আটক হওয়ায় তিনি ও তার সংগঠন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই ইস্যুতে একইসাথে আলোচিত হচ্ছেন মামুনুলের সঙ্গী ওই নারীও।

ওই নারীর নাম জান্নাত আরা ঝর্না (৩০)। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কামারগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. ওলিয়ার রহমান ওরফে ওলি মিয়ার মেজো মেয়ে তিনি।

ঝর্নার বড় ছেলে আব্দুর রহমান জামির একটি ভিডিওবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

কিশোর জামির অভিযোগ, মামুনুল হকের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্ববোধ নেই। তিনি নিজের অসৎ উদ্দেশ্য পূরণ করতে জামির বাবা শহিদুল ইসলাম ও মা জান্নাত আরা ঝর্নার মধ্যে পরিকল্পিতভাবে দূরত্ব তৈরি করেন। এ ক্ষেত্রে শহিদুল ইসলামের ‘অন্ধ আনুগত্যকেও’ ব্যবহার করেছেন মামুনুল।

মামুনুল হক গত শনিবার (৩ এপ্রিল) এক নারীকে নিয়ে সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাকে ঘেরাও করে। মামুনুল ওই নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করলেও তার নাম, শ্বশুরবাড়ি, শ্বশুরের নাম সম্পর্কে যে তথ্য দিয়েছেন, তার সঙ্গে সেই নারীর দেয়া তথ্যের কোনো মিল নেই।

এর আগেও ঝর্নার সাথে তার ছেলের একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। 

সবকিছু ওলট-পালট করে দেয় মামুনুল হকের ভাইরাল হওয়া একটি ফোনালাপ। তাতে তিনি ওই নারীকে ‘শহীদুল ইসলাম ভাইয়ের ওয়াইফ’ বলছেন।

উল্লেখ্য, সন্ধ্যার দিকে আটক হওয়ার পর মামুনুল হক ঐ রিসোর্টেই ছিলেন। মামুনুল হককে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্ট থেকে নিয়ে গেছেন তার সমর্থকরা।

মামুনুল হক অবরুদ্ধ থাকার সংবাদ শুনে কয়েকশ মানুষ রিসোর্টটির সামনে এসে জড়ো হয়। এ সময় তারা স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। পরে সেখান থেকে তাকে পাশের একটি মসজিদে নিয়ে যায় তারা।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) তবিদুর রহমান বলেন, রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে হেফাজতের কর্মীরা।

এছাড়াও এরপর এক ভিডিওতে নিজেদের মধ্যে একান্তে সময় কাটাতে সোনারগাঁয়ের ওই রিসোর্টে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন মামুনুল হকের ওই 'দ্বিতীয় স্ত্রী'।

এতে নিজেকে ফরিদপুরের আলফাডাঙার আমিনা তৈয়বা  বলে পরিচয় দেন ওই নারী। আমিনা তৈয়বা বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখতে দেখতে আমরা এদিকে এসেছি। জোহরের পর একটু রেস্ট নেওয়ার জন্য এখানে এসেছিলাম। লাঞ্চ করে একটু রেস্ট নিচ্ছিলাম। 

আইনিউজ/এসডি

[আইনিউজের ফেসবুক পেইজে মামুনুল হককে আটকের ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন]

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়