ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৬ ১৪৩৩

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:১৪, ২৯ নভেম্বর ২০২০

পাক অধিনায়ক বাবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ (ভিডিও)

বাবর আজম

বাবর আজম

পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন এক নারী। সংবাদ সম্মেলন করে নিজেকে বাবরের সহপাঠী হিসেবে দাবি করেন। এরই সাথে বলেন, বাবর তাকে ১০ বছর ধরে শোষণ করে আসছিল।

ওই নারী জানান, বাবর তাকে ২০১০ সালে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন পরে বিখ্যাত হয়ে যাওয়ার পর আর নিজের কথা রাখেননি বাবর। তার দাবী অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

পাকিস্তানি সংবাদিক সাজ সাদিক টুইটারে সেই নারীর সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে সেই নারী এর বিচার দাবি করেছেন।

তিনি আরো দাবি করেন, বাবর যখন বড় ক্রিকেটার হননি, তখন তিনি আর্থিকভাবেও পাকিস্তানি তারকাকে সহায়তা করেছেন।

ভিডিওতে ওই নারীকে বলতে শোনা যায়, ‘ও (বাবর) আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ওর জন্য আমি অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েছিলাম। ও আমাকে মারত। ও আমাকে হুমকি দিয়েছিল এবং ও আমাকে ব্যবহার করেছে।’

বাবরের সঙ্গে একই কলোনিতে বড় হয়েছেন দাবি করে তিনি আরো বলেন, ‘আমি বাবরকে তখন থেকে চিনি যখন ওর ক্রিকেটের কোনো প্রতিপত্তি ছিল না। ওর পরিবার গরিব ছিল। আমার আশা যে সব ভাইবোনেরা আমাকে ন্যায় বিচার পেতে সাহায্য করবেন। যাতে আমি যে অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছি, তার মধ্য দিয়ে কাউকে যেতে না হয়।’

ওই নারীর দাবি, স্কুলে পড়ার সময় বারবের সঙ্গে তার আলাপ তৈরি হয়েছিল। ২০১০ সালে তাকে প্রেম নিবেদন করেছিলেন বাবর। নারীটির কথায়, ‘২০১০ সালে ও আমাকে প্রেম নিবেদন করেছিল এবং আমি গ্রহণ করেছিল। এমনকি ও আমার বাড়িতে এসে প্রেম নিবেদন করেছিল। যত সময় এগিয়েছে, তত আমাদের বোঝাপড়া ভালো হচ্ছিল। আমরা বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলাম এবং আমাদের পরিবারকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু ওরা বারণ করে দিয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারপর বাবর আর আমি রেজিস্ট্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ২০১১ সালে বাবর এবং আমি পালিয়েছিলাম। আমাকে একটি ভাড়াবাড়িতে রেখেছিল। সেই সময় আমি বারবার বিয়ের কথা বলতে থাকি। কিন্তু ও বলে যে আমরা এখন সেই অবস্থায় নেই। পরে বিয়ে করব আমরা।’

ওই নারীর দাবি, ২০১৬ সালে যখন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন, তখন থেকেই বাবরের ব্যবহারে বড়সড় পরিবর্তন ধরা পড়ে।

বাবর আজম এখন পাকিস্তান জাতীয় দলের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে আছেন। নারীটির অভিযোগ নিয়ে তিনি বা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়