ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪২৯

ফরহাদ হোসেন, রাজনগর

প্রকাশিত: ১৮:৫১, ১৩ জানুয়ারি ২০২২
আপডেট: ১৮:৫২, ১৩ জানুয়ারি ২০২২

প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থক হওয়ায় জন্মনিবন্ধনে স্বাক্ষর করছেন না মেম্বার

মৌলভীবাজারের রাজনগরে এক ইউপি সদস্যের বিরোদ্ধে পরাজিত সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের জন্ম সনদে স্বাক্ষর না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে নির্বাচনে অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে বিপাকে পড়েছেন ওই ওয়ার্ডের কয়েকজন। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম গ্রামের মো. শোয়েব মিয়া, মো. অলি খাঁন, মাসুম আহমেদ জন্মনিবন্ধন করতে গত ১১ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদে যান। সেখানে জন্ম নিবন্ধন সনদে চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করে দিলেও ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এনামুল হক চৌধুরী এতে স্বাক্ষর না দিয়ে পরে বুঝে স্বাক্ষর করবেন বলে জানান।

পরে ভুক্তভোগীরা বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি সুরাহার জন্য দুই দফায় ওই ইউনিয়নের ৬নং, ৭নং, ০৪নং ও ৮নং ওয়ার্ড সদস্যকে বিষয়টি দেখার জন্য দায়িত্ব দেন। তারা বিষয়টি নিয়ে এনামুল হক চৌধুরীর সাথে কথা বললে তিনি স্বাক্ষর করতে তাদের কাছেও অপারগতা প্রকাশ করেন। অন্য প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা করায় তাদেরকে প্রতিহিংসা বশত সরকারি সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তারা। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তারা লিখিত অভিযোগ দেন।

ভুক্তভোগী মো. শোয়েব মিয়া বলেন, গত নির্বাচনে আমরা মুন্সি মো. আজিজের পক্ষে প্রচারণা করি। এনামুল হক চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পর আমার বড় ভাই ও ভাতিজা-ভাতিজির জন্মনিবন্ধন করতে তার কাছে গেলে তিনি বুঝে স্বাক্ষর করবেন বলেন। পরে চেয়ারম্যান মহোদয়ের মনোনীত ৪ জন সদস্য দুই দফায় তাকে স্বাক্ষর করতে বললেও তিনি স্বাক্ষর করবেন না বলে জানান। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অন্য কারো পক্ষে নির্বাচনে কাজ করায় আমরা কি অপরাধ করেছি জানি না।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য এনামুল হক চৌধুরী বলেন, যারা আমার সাথে কথা বলেছেন আমি তাদেরকে বলেছি যাচাই-বাছাই করে স্বাক্ষর দিবো। আমি এলাকার কয়েকজনকে দিয়ে তাদেরকে আসতে বলেছি। আমি স্বাক্ষর দিবো না এ কথা বলিনি। তারা এলে আমি স্বাক্ষর দিয়ে দিবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি। কোনো জনপ্রতিনিধি এমন করা ঠিক হবে না। আমি বিষয়টি দেখছি।

আইনিউজ/ফরহাদ হোসেন/এসডি

আইনিউজ ভিডিও

ওমিক্রন ঠেকাতে মাস্ক বিতরণে মাঠে ডিসি ও মেয়র 

ঘোড়দৌড় : সিলেট বিভাগের সব তেজি ঘোড়া এসেছিল এই মাঠে

গ্রিসের বস্তিতে বাংলাদেশীদের মানবেতর জীবন, অধিকাংশই সিলেটি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়