ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৪ মে ২০২৬,   বৈশাখ ৩১ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৩০, ২৫ আগস্ট ২০২১
আপডেট: ১৪:১৬, ২৫ আগস্ট ২০২১

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের চার বছর

মিয়ানমারের রাখাইনে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ও সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে চার বছর আগের এই দিনে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছিল লাখ লাখ রোহিঙ্গা। টেকনাফ সীমান্তে রোহিঙ্গাদের ঢল নেমেছিল। চার বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

জীবন বাঁচাতে সেসময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নিয়েছিল সাড়ে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা। গত চার বছরে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জন্ম নিয়েছে ২ লাখের বেশি শিশু। সব মিলিয়ে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশের আশ্রয়ে রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে ধ্বংস হয়েছে হাজার হাজার একর পাহাড় ও বনভূমি। নষ্ট হয়েছে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীসহ জীববৈচিত্র্য। এছাড়া মাদক ও মানবপাচার, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, খুন ও অপহরণসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা। এতে স্থানীয়দের নিরাপত্তার পাশাপাশি নানা বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের কারণে বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়েছেন তারা। রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়েছে এসব সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়া। আর এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।

কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কয়েকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। সর্বশেষ এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে থমকে গেছে প্রত্যাবাসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও।

তবে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। শক্তভাবে আমাদের অবস্থানটা জানিয়ে দিচ্ছি। ডোনারদেরও আমারা জানিয়েছি যে, এই ব্যাপারে আমরা অনড়। তারাও বুঝতে পেরেছে যে, কতটুকু আমরা ছাড় দেব বা কতটুকু আমরা যাব।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়