Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, শুক্রবার   ১৩ মার্চ ২০২৬,   ফাল্গুন ২৯ ১৪৩২

হেলাল আহমেদ, আই নিউজ

প্রকাশিত: ১৫:১৮, ১২ জুলাই ২০২৩

আ. লীগের সমাবেশে ২৫০ বাস কর্মী নিয়ে যাচ্ছেন বহিষ্কৃত জাহাঙ্গীর

প্রায় ১৫ হাজার কর্মী নিয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন জাহাঙ্গীর আলম। ছবি- সংগৃহীত

প্রায় ১৫ হাজার কর্মী নিয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন জাহাঙ্গীর আলম। ছবি- সংগৃহীত

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০২৩ এর সময় আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম রাজধানীতে আজ আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন ২৫০ বাস ৭০টি মাইক্রোবাস ভর্তি কর্মী নিয়ে। এরিমধ্যে সমাবেশে যোগ দিতে পরিবহণ ভর্তি কর্মী নিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে রওনা দিয়েছেন গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। 

জানা গেছে, ক্ষমতাসীন দলটির সমাবেশে যোগ দিতে জাহাঙ্গীর আলম ২৫০টি বাস, ৭০টি মাইক্রোবাসে প্রায় ১৫ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

বুধবার (১২ জুলাই ) দুপুরে জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এসব তথ্য জানানো হয়। বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটের সামনে ‘শান্তি সমাবেশ’ করবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। প্রায় কাছাকাছি সময়ে এক কিলোমিটার ব্যবধান দূরত্বে আজ সমাবেশ করছে বিরোধী দল বিএনপিও। 

বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ কিংবা কোনো পদ পদবী না থাকলেও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যোগ দিতে এর আগেই ঘোষণা দেন।

এর আগে জাহাঙ্গীর বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নির্দেশ পেয়ে শান্তি সমাবেশে যোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি। ৫০০ গাড়ি নিয়ে সমাবেশে যোগ দেয়ার লক্ষ্য রয়েছে। তবে পর্যাপ্ত গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শান্তি সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে ডিএমপি। আওয়ামী লীগকে বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় বেধে দেয়া হয়েছে।

দেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন গাজীপুরে ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মেয়র হয়েছিলেন জাহাঙ্গীর। এই সিটিতে গত ২৫ মের নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন জাহাঙ্গীর। কিন্তু দল মনোনয়ন দেয় গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খানকে।

ঋণখেলাপির জামিনদার হওয়ায় জাহাঙ্গীরের প্রার্থিতা শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায়। পরে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। সাধারণ গৃহিণী থেকে বিশেষ পরিস্থিতিতে মেয়রপ্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন ৬১ বছর বয়সী জায়েদা খাতুন। স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী জায়েদা ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন।

রাজপথে দুই দলের শক্তি পরীক্ষা আজ, সংঘাত পরিহারের আহ্বান 
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অভিন্ন ২৩ শর্ত মাথায় রেখে আজ রাজধানীতে স্বল্পদূরত্বের ব্যবধানে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ এবং প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। আজকের সমাবেশের মধ্য দিয়ে ধারণা করা হচ্ছে দেশের প্রধান এই দুই দলের 'চূড়ান্ত শক্তি' প্রদর্শন ও পরীক্ষা হবে আজ। তবে সমাবেশে সকল ধরনের সংঘাত-সহিংসতা পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনের। 

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সমাবেশ করার অনুমতি নিয়েছে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটের সামনে। এখানে বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত শান্তি সমাবেশ করবে ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ-উত্তর) আওয়ামী লীগ।

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় ডিএমপি কমিশনারের পক্ষে বিশেষ সহকারী সৈয়দ মামুন মোস্তফা সই করা এক চিঠিতে বিএনপির সমাবেশের তথ্য জানানো হয়। আর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজকে দেওয়া চিঠিতে তাদের দলকে দেওয়া শর্তের কথা উল্লেখ করেছে ডিএমপি।

আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি একই সময়ে প্রায় এক কিলোমিটার ব্যবধান দূরত্বে বড় কর্মসূচির ডাক দেয়ায় রাজধানীতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।  আবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস থেকে গতকাল মঙ্গলবার সতর্কবার্তায় রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরে নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরার পরামর্শ দিয়েছে। দেশের বিশিষ্টজনরাও দুই দলের এই সমাবেশ নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। তারা রাজনৈতিক সমাবেশ করতে যাওয়া দুই রাজনৈতিক দলকে জনস্বার্থে যেকোন ধরনের সহিংসতা-সংঘাত এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

দুই দলের সমাবেশে সংঘাতের আশঙ্কা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেছেন, করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে মূল্যস্ফীতির চাপে খেটে খাওয়া মানুষ সংগ্রাম করছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সংঘাত তৈরি হলে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হলে বিনিয়োগে ব্যাঘাত ঘটবে। যা আমাদের জন্য এই মুহুর্তে কাম্য নয়। 

যদিও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই দুই দল বলছে, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থানরত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সম্মুখে নিজেদের শক্তি ও জনসমর্থন তোলে ধরার জন্য দু'পক্ষই আজ বড় জমায়েত করার চেষ্টা করবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কমপক্ষে কয়েক লাখ লোকের সমাগম করতে চেষ্টা চালাচ্ছে। বিএনপিও একইভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। তারাও সর্বোচ্চ লোক সমাগম করতে শক্তি প্রদর্শন করতে চায়। তাছাড়া, আজকের এই কর্মসূচি থেকে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এক দফা দাবীর ব্যাপারে ঘোষণা আসবে। তাই তারাও আওয়ামী লীগের ন্যায় ঢাকার আশপাশের জেলা-উপজেলাগুলো থেকে বিএনপি কর্মীদের এনে জড়ো করছেন। 

সংশ্লিষ্টরা দুই দলের সমাবেশ নিয়ে বলছেন- দুই দল আগেও এভাবে পাল্টাপাল্টি একাধিক সমাবেশ করলেও এবারের সমাবেশের চিত্র এবং প্রেক্ষাপট পুরোপুরি ভিন্ন। কারণ জাতীয় নির্বাচনের বাকি মাত্র কয়েক মাস। এই সময় তাই রাজপথে প্রধান দুই দলের কেউই কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। দুই দলই তাদের সমাবেশকে সফল করতে মুখিয়ে আছে। 

বিএনপির জন্য দেয়া ২৩ শর্ত- 

  • এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।
  • স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রের উল্লেখিত শর্তগুলো যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
  • অনুমতি পাওয়া স্থানেই সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
  • নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্তসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।
  • স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের চারদিকে উন্নত রেজুলেশনযুক্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
  • নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে (ভদ্রোচিতভাবে) চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।
  • শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সীমিত আকারে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করতে হবে, কোনোক্রমেই অনুমোদিত স্থানের বাইরে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।  
  • অনুমোদিত স্থানের বাইরে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।
  • অনুমোদিত স্থানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে কোথাও লোক সমবেত হওয়া যাবে না।
  • আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক ব্যবহার করা যাবে না।
  • ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য দেওয়া বা প্রচার করা যাবে না।
  • সমাবেশ কার্যক্রম ছাড়া মঞ্চকে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
  • সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।
  • অনুমোদিত সময়ের মধ্যে (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা) সমাবেশের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে।  
  • কোনো অবস্থাতেই মূল সড়কে যানবাহন চলাচল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
  • আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।  
  • রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ বা বক্তব্য দেওয়া যাবে না।  
  • উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।
  • কোনো ধরনের লাঠিসোঁটা/ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে লাঠি, রড ব্যবহার করা যাবে না।
  • আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও কোনো বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।  
  • উল্লেখিত শর্তাদি পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়া এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

আওয়ামী লীগকে দেয়া ২৩ শর্ত- 

  • এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।
  • স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রের উল্লেখিত শর্তগুলো যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
  • অনুমতি পাওয়া স্থানেই সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
  • নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্তসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।
  • স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের চারদিকে উন্নত রেজুলেশনযুক্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
  • নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে (ভদ্রোচিতভাবে) চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।
  • শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সীমিত আকারে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করতে হবে, কোনোক্রমেই অনুমোদিত স্থানের বাইরে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।  
  • অনুমোদিত স্থানের বাইরে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।
  • অনুমোদিত স্থানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে কোথাও লোক সমবেত হওয়া যাবে না।
  • আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক ব্যবহার করা যাবে না।
  • ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য দেওয়া বা প্রচার করা যাবে না।
  • সমাবেশ কার্যক্রম ছাড়া মঞ্চকে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
  • সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।
  • অনুমোদিত সময়ের মধ্যে (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা) সমাবেশের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে।  
  • কোনো অবস্থাতেই মূল সড়কে যানবাহন চলাচল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
  • আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।  
  • রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ বা বক্তব্য দেওয়া যাবে না।  
  • উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।
  • কোনো ধরনের লাঠিসোঁটা/ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে লাঠি, রড ব্যবহার করা যাবে না।
  • আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও কোনো বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।  
  • উল্লেখিত শর্তাদি পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়া এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

আই নিউজ/এইচএ 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়