ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:৪৩, ২ জুন ২০২১
আপডেট: ১০:০৪, ৩ জুন ২০২১

ডা. সাবিরা হত্যা: সাবলেটে থাকা তরুণীর দিকে সন্দেহের তীর

রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালের রেডিওলোজি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কাজী সাবিরা রহমান লিপির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় বাদী হয়েছেন তার মামাতো ভাই রেজাউল হাসান মজুমদার জুয়েল।

এখন পর্যন্ত খুনের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। তবে সাবলেটে থাকা মডেল কানিজ সুবর্ণাকে সন্দেহ করেছেন মামলার বাদী।

মামলার এজাহারে বাদী কানিজ এবং এক থেকে দুইজন মিলে লিপিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন। মামলায় অন্য সাবলেটে থাকা নূরজাহানকে বাদী সন্দেহ করেননি। কারণ তিনি ঘটনার দিন ছিলেন না। তিনি ঈদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে আর আসতে পারেননি।

জানা গেছে, কানিজ ওয়ার্ল্ড ইউনিভারসিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। মডেলিংয়ের পাশাপাশি দারাজ অনলাইনে কাজ করেন তিনি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কানিজ লিপির ভাড়া বাসায় সাবলেটে উঠেছিলেন। তিনি এখন ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের হেফাজতে আছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. সাবিরার প্রথম স্বামী ২০০৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর ২০০৫ সালে দ্বিতীয় বিয়ে করেন সাবিরা। উভয় পক্ষের এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। সাবিরা পরিবারের সঙ্গে স্থায়ীভাবে বাস করতেন রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি অ্যাপার্টমেন্টে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে এ বছরের জানুয়ারি থেকে কলাবাগান প্রথম লেনের ৫০/১ তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। ওই বাসায় তিন রুম, এর একটিতে নিজে থাকতেন। অন্য দুটি রুমে সাবলেট হিসাবে দুই তরুণীকে ভাড়া দিয়েছিলেন।

ঘটনা সম্পর্কে বাদী রেজাউল এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ৩১ মে দুপুর ১২টার দিকে তিনি তার ফুপুর কাছ থেকে মোবাইল ফোনে সাবিরার মৃত্যুর খবরটি শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। গিয়ে দেখেন, তার বোনের লাশ বিছানার উপর উপুড় করে ফেলা আছে। শরীরের বিভিন্ন অংশ পোড়া ও জায়গায় জায়গায় ফোসকা পড়া। তার পিঠের নিচের অংশে পাশাপাশি চারটি ধারালো অস্ত্রের ক্ষত। বাম চোয়ালের নিচে গলার বামদিকে ধারালো অস্ত্রের দুটি গভীর আঘাত, যা জবাই করার মতো। বিছানার বেশ কিছুটা অংশ পোড়া ও মেঝেতে ছাই ছড়িয়ে ছিল।

হত্যার পর ঘটনার আলামত নষ্ট ও ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে আগুন লাগানো হয়েছে বলে সন্দেহ তার। ঘটনার সময় শুধু সাবলেটে ভাড়াটে মডেল তরুণী বাসায় অবস্থান করছিলেন বলে অভিযোগ রেজাউলের। তাই সন্দেহভাজন হিসাবে এজাহারে ওই তরুণীর নাম উলে­খ করেছেন তিনি।

আইনিউজ/এসডিপি

সংশ্লিষ্ট খবর

কলাবাগানে নারী চিকিৎসকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার: পিঠে-গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত

ডা. সাবিরাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, দাবি মামার

হত্যার পর ডা. সাবিরাকে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছে

ডা. সাবিরার লাশ উদ্ধার: ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি

ডা. সাবিরার লাশ উদ্ধার: মামলা না হলেও তদন্ত করছে পুলিশ

ডা. সাবিরা হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৮ জুলাই

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়