মায়মুন শরীফ রাইয়ান
পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় মক্কা চুক্তি: কোন পথে বাংলাদেশ
মায়মুন শরীফ রাইয়ান
বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় একটি দেশের নিরাপত্তা কেবল তার নিজস্ব সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে না। অর্থনৈতিক সক্ষমতা, কূটনৈতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং প্রতিরক্ষা শক্তি- সবকিছু মিলিয়েই একটি রাষ্ট্রের সামগ্রিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে ওঠে। বিশেষ করে এককেন্দ্রিক শক্তির পরিবর্তে বহুকেন্দ্রিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা দৃশ্যমান হওয়ায় রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় নতুন কৌশল গ্রহণ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ এমনই একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামোর সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো একটি উদীয়মান ও বাণিজ্যনির্ভর রাষ্ট্রের জন্য এ চুক্তির সম্ভাব্য তাৎপর্য তাই গভীরভাবে বিবেচনার দাবি রাখে।
মক্কা চুক্তির গুরুত্ব বুঝতে হলে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিকে তাকাতে হয়। ইয়েমেনে হুথি আন্দোলনের তৎপরতা, ইরানকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক উত্তেজনা, ইসরাইলকে ঘিরে সংঘাত এবং লোহিত সাগরের নিরাপত্তাহীনতা মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও এডেন উপসাগর ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে পণ্য ও জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এসব অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সরবরাহব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এই বাস্তবতায় সৌদি আরবের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা কাঠামো বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
ঐতিহাসিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা অনেকাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর সামরিক উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আরও স্বনির্ভর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক কাঠামো গড়ে তুলতে আগ্রহী হচ্ছে। মক্কা চুক্তিতে কোনো সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার নীতি রয়েছে, যা ন্যাটোর আর্টিকেল-৫-এর সঙ্গে তুলনীয়। পাশাপাশি যৌথ মহড়া, সামরিক সমন্বয় ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতার ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হচ্ছে।
তবে সামরিক জোটের সম্ভাব্য সুফল মূল্যায়নের পাশাপাশি ইতিহাসের অভিজ্ঞতাও বিবেচনা করা জরুরি। পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক চুক্তি, SEATO ও CENTO-তে যোগদানের অভিজ্ঞতা দেখায় যে, জোটে অংশগ্রহণ সবসময় প্রত্যাশিত নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না। তাই কোনো সামরিক জোটে যোগদানের ক্ষেত্রে জোটের উদ্দেশ্য, সদস্যদের পারস্পরিক স্বার্থ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো ও সংকটকালে বাস্তব সহযোগিতার সম্ভাবনা সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা উচিত। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বা কৌশলগত লাভের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশের জন্য মক্কা চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশ সমুদ্রপথনির্ভর। ফলে লোহিত সাগর বা বাব আল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে পরিবহন ও বীমা ব্যয় বাড়তে পারে, পণ্য আমদানির সময় দীর্ঘ হতে পারে এবং জ্বালানি ও কাঁচামালের মূল্যও প্রভাবিত হতে পারে। নিরাপদ আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
মক্কা চুক্তির সম্ভাব্য আরেকটি সুফল হতে পারে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও প্রযুক্তি বিনিময়। সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও জনশক্তি-সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে তুরস্ক ড্রোনসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা অর্জন করেছে। ফলে তুরস্কের সঙ্গে প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা বৃদ্ধিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। চুক্তির অংশ হিসেবেই প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা ও সামরিক প্রযুক্তি বিনিময়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তি জোটটিকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটেও একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে চীনের প্রসঙ্গও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রয়েছে; নৌবাহিনীর জন্য চীনা সাবমেরিন সংগ্রহ তার একটি দৃশ্যমান উদাহরণ। ফলে বাংলাদেশের সামনে পূর্বে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা এবং পশ্চিম এশিয়ায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতার একটি বহুমাত্রিক কূটনৈতিক পরিসর তৈরি হতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সাহাব এনামের মতে, বাংলাদেশের নিজস্ব নিরাপত্তা কাঠামো এখনও খুব শক্তিশালী নয়। এ ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি এবং তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা ও কৌশলগত অভিজ্ঞতার সমন্বয় বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় হতে পারে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে পাকিস্তান, তুরস্ক ও চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে। ফলে মক্কা চুক্তিকে শুধু সামরিক সহযোগিতার দৃষ্টিতে নয়, বাংলাদেশের বৃহত্তর কৌশলগত ও কূটনৈতিক স্বার্থের প্রেক্ষাপটেও বিবেচনা করা যেতে পারে।
তবে এই সম্পর্কগুলোকে কেবল সামরিক ভারসাম্য তৈরির কৌশল হিসেবে না দেখে বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনীতির অংশ হিসেবে পরিচালনা করাই অধিক নিরাপদ। চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান সম্পর্কের ওপর মক্কা চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। কোনো নতুন প্রতিরক্ষা সম্পর্ক যেন অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থকে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকির মুখে না ফেলে, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।
এ ক্ষেত্রে মক্কা জোটের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জোটটি যদি মূলত প্রতিরক্ষামূলক চরিত্র বজায় রাখে এবং আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও জলদস্যুতা প্রতিরোধ এবং সদস্যদের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে বাংলাদেশের জন্য এর ইতিবাচক দিক যথেষ্ট হতে পারে। যৌথ নৌটহল, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, নজরদারি এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে, জোটটি যদি কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার হাতিয়ারে পরিণত হয়, তাহলে বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হলে জোটের সামরিক চরিত্র আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং প্রক্সি সংঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাতীয় স্বার্থ ও কৌশলগত অগ্রাধিকারের ভিন্নতাও জোটের রাজনৈতিক ঐক্য ও কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও তুরস্ক স্পষ্টভাবে বলেছে, চুক্তিতে ইরানকে কোনো অভিন্ন হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।
তাই বাংলাদেশের জন্য মূল প্রশ্ন শুধু ‘মক্কা জোটে যোগ দেওয়া উচিত কি না’- এতে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত- যোগ দিলে বাংলাদেশের কী লাভ হবে, কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, কী বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা কতটা অক্ষুণ্ণ থাকবে? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্ত, যৌথ প্রতিরক্ষার সংজ্ঞা, কমান্ড কাঠামো, সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণের বাধ্যবাধকতা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক দায়িত্ব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা প্রয়োজন।
এ কারণে চুক্তিতে যোগদানের আগে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি উন্মুক্ত ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। সংসদ, কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, সামরিক বিশ্লেষক, অর্থনীতিবিদ এবং নাগরিক সমাজের মতামত এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যাপক জনআলোচনা কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং এটি একটি পরিণত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য।
পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় মক্কা চুক্তি বাংলাদেশের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে, তেমনি ভুল সিদ্ধান্ত নতুন কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকিও সৃষ্টি করতে পারে। সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি, তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা, চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সহযোগিতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জনশক্তি-সম্পর্ক- সব মিলিয়ে সম্ভাব্য সুফলের ক্ষেত্র কম নয়। তবে এসব সুযোগকে জাতীয় স্বার্থে রূপান্তর করতে হলে বাংলাদেশের নীতি হতে হবে বাস্তববাদী, ভারসাম্যপূর্ণ ও দূরদর্শী।
আধুনিক বিশ্বে সার্বভৌমত্ব রক্ষার অর্থ শুধু শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলা নয়; প্রয়োজন শক্তিশালী অর্থনীতি, নিরাপদ বাণিজ্যপথ, বহুমুখী কূটনীতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং প্রয়োজনের সময় কার্যকর আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব। মক্কা চুক্তি যদি এই বৃহত্তর নিরাপত্তা কাঠামোর একটি অংশ হিসেবে কাজ করে এবং বাংলাদেশ তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রেখে এতে যুক্ত হতে পারে, তবে তা দেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিপরীতে, যদি চুক্তির কাঠামো বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে সতর্ক দূরত্ব বজায় রাখাই হবে বিচক্ষণতার পরিচয়।
সুতরাং, মক্কা চুক্তিকে কোনো বিশেষ শক্তির পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান হিসেবে না দেখে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করাই হওয়া উচিত মূলনীতি। বন্ধুত্ব সবার সঙ্গে, জোটের সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থে- পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের জন্য এই ভারসাম্যই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর পথ।
লেখক- প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ
ইএন/এসএ
- বাংলাদেশে শিশু শ্রম: কারণ ও করণীয়
- পনেরো আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক দ্বন্ধ
মোশতাক বললেও মন্ত্রীদের কেউ সেদিন বঙ্গবন্ধুর লাশের সঙ্গে যায়নি! - ২০২৩ সালে কী সত্যিই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ আসছে?
- করোনা যেভাবে চিকিৎসকদের শ্রেণীচ্যুত করলো
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সমস্যা এবং সম্ভাবনা
- ফিলিস্তিনে প্রাণ হারাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কুকুর স্থানান্তরকরণ ও ভবিষ্যৎ
- শরীফার গল্প পড়তে আমাদের এতো কেন সমস্যা?
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী গণমাধ্যমের ভূমিকা
- রেমডেসিভির একটি অপ্রমাণিত ট্রায়াল ড্রাগ




















